Posts

Showing posts from April, 2026

শব্দ বিভ্রান্তি:

 শব্দ বিভ্রান্তি: ১. "যতোটুকু পারো করো, বাকিটা আল্লাহর ভরসা।" কেউ বলতে পারে, "নাহ, পুরোটাই আল্লাহর ভরসা।"। হ্যাঁ, পুরোটাই আল্লাহর ভরসা, কিন্তু এখানে যা বোঝানো হচ্ছে তা হলো "যতোটুকু পারার করো, তুমি যা করবে তারপর বাকিটা আল্লাহ দেখবেনি", এটা কথা বলার এক ধরন মাত্র।  ২. "ঈমান অর্জন করতে খুব বেশি জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না, আল্লাহ চাইলেই একজনের অন্তরে ঈমান দিতে পারেন।" কেউ বলতে পারে, "নাহ, তুমি ভুল, 'আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে যারা জ্ঞানী তারাই কেবল তাকে ভয় করে' (৩৫:২৮)। এ আয়াতে জ্ঞানী বলতে যারা কুরআন সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান রাখে, যেমন: একজন ধার্মিক কৃষক হয়তো ইসলামের সব জানে না, কিন্তু কিছু ভালো জ্ঞান রাখে ফলে জ্ঞানী।  ৩. "যেকোনো কিছুর অতিরিক্ততা সমস্যাজনক, অতিরিক্ত ইবাদত করাও ঠিক নয়।"  কেউ বলতে পারে, "নাহ, নবি রসূলরা আল্লাহর অনেক ইবাদত করতেন"। ওপরে "অতিরিক্ত" বলতে বাড়াবাড়ি করা বোঝানো হচ্ছে, কেউ ধরুন সারাদিন শুধু নামাজই পড়ে, অন্য কিছুই করে নাহ, এমন অতিরিক্ততা।  ৪. "নারীকে চারটি কারণে বিবাহ করা হয়: তার ধন-সম্পদের জ...

গানবাজনা ও ইসলাম :

Image
 গানবাজনা ও ইসলাম : [1] Ringtone কিন্তু বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে তৈরি হয়। [2] নাশিদ অর্থাৎ ইসলামি গানে শি-শি ধরনের এক ধরনের দীর্ঘ সময়ের আওয়াজ (music) ব্যবহার করা হয়, সেটাও বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে তৈরি হয়। [3] নানা ইসলামি অনুষ্ঠান, যেমন— আলোকিত জ্ঞানি; সেখানে নানা কথা, যেমন— আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ; এগুলোর সাথে নানা আওয়াজ (music) হয়, সেগুলো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে তৈরি হয়। [1], [2] ও [3]-এর ভেতর [1]-তো প্রয়োজন।  [] "বিশেষ অনুষ্ঠানে" "নিরীহ বা বলা যেতে পারে কম উত্তেজক বাদ্যযন্ত্র" বাজানো হালাল, যেমন- দফ, আর রাসূল (সা.)-এর যুগে যে কয়টি বাদ্যযন্ত্র ছিলো তার ভেতর দফ সবচেয়ে প্রচলিত ছিলো আর দফ নিরীহ ও কম উত্তেজক। আর যদি হালাল গান গাইতে হয় সবার সামনে তাহলে কিশোরীরা সেটা করতে পারবে, যুবতীরা নয়।  গান: কুরআনে সূরা লোকমানে যে আয়াত (৩১:৬) দ্বারা আলেমরা গানবাজনাকে হারাম বলে, সেখানে যে শব্দ আছে তা হলো: লাহূও আল-হাদিস, যার অর্থ হলো মূলত তুচ্ছ বিনোদনের জন্য কথাবার্তা। এই শব্দের দ্বারা ওপরেরগুলো হারাম ঘোষণা করা সাধারণত যায় না। [] আর হাদিসে উট চলার গান গাওয়া, বিয়েতে কিশোরীদের গান...