খিলাফত ও শরীয়াহ যেহেতু বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনগণের সমর্থন পাবে না, তাহলে গণতান্ত্রিক দেশে মুসলিমদের কি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার যেসব পদ রয়েছে সেগুলোতে থেকে রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা হারাম— এমনকি যদি রাষ্ট্রের জন্য কাজ করার প্রয়োজনও থাকে? মুসলিমদের কি তাহলে ক্ষমতার কোনো প্রয়োজন নেই? তারা কি ক্ষমতা অধার্মিকদের হাতে ছেড়ে দেবে?
খিলাফত ও শরীয়াহ যেহেতু বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনগণের সমর্থন পাবে না, তাহলে গণতান্ত্রিক দেশে মুসলিমদের কি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার যেসব পদ রয়েছে সেগুলোতে থেকে রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা হারাম— এমনকি যদি রাষ্ট্রের জন্য কাজ করার প্রয়োজনও থাকে? মুসলিমদের কি তাহলে ক্ষমতার কোনো প্রয়োজন নেই? তারা কি ক্ষমতা অধার্মিকদের হাতে ছেড়ে দেবে? নবুওয়াতের আগে রাসূল (সা.) 'হিলফুল ফুদূল' নামে একটি ন্যায়ভিত্তিক সামাজিক জোটে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যার লক্ষ্য ছিলো মক্কায় অত্যাচারিতদের অধিকার রক্ষা করা। পরে তিনি বলেন, "ইসলামের যুগেও যদি আমাকে এ ধরনের চুক্তির জন্য ডাকা হতো, আমি অবশ্যই সাড়া দিতাম।" — (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ১৬৫৫) এটি প্রমাণ করে যে ন্যায় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তিনি প্রাক-ইসলামী সমাজের উদ্যোগেও অংশ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক ঘটনা উল্লেখ করা যায়। যেমন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের ওপর পরিচালিত অভিযানে হতাহতের ঘটনা ঘটে। কোনো ইসলামী দল ক্ষমতায় থাকলে এমন ঘটনা ঘটতো না। বিভিন্ন সময়ে জনপ্রিয় আলেমদের মাহফিল নিষিদ্ধ করা বা মাইক কেড়ে নেয়ার ঘটনাও হয়তো ঘটতো না। এছাড়া ২০১৩ সাল এবং ২০২১ ...