Posts

নাস্তিক ও আস্তিকদের ভেতর একটা বড়ো পার্থক্য হলো: আস্তিকরা কষ্ট মেনে নেয়, আর নাস্তিকরা কষ্ট মেনে নিতে চায় না।

নাস্তিক ও আস্তিকদের ভেতর একটা বড়ো পার্থক্য হলো: আস্তিকরা কষ্ট মেনে নেয়, আর নাস্তিকরা কষ্ট মেনে নিতে চায় না। যেমন — ইসলামে একজনকে তার জান, মাল, স্ত্রী, সন্তান — সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে আল্লাহকে, নয়তো সে মুমিন নয়। পৃথিবীতে খুন হয়, ধর্ষণ হয়, ছোটো বাচ্চাদের ক্যান্সার হয়, প্রাণীদেরও ক্যান্সার হয়, জাহান্নামেও ভয়ানক শাস্তি আছে। বছরের পর বছর দোয়া করলেও অনেকে সুস্থ হয় না। নবী-রাসূলরা এসব কষ্ট মেনে নিয়েছেন। নবী ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর জন্য নিজের সন্তান পর্যন্ত কুরবানি করতে চেয়েছেন। অনেক সাহাবি ইসলামের জন্য প্রচন্ড নির্যাতন সহ্য করেছেন, অনেকে জীবনও দিয়েছেন। বিলাল (রা.)-কে উত্তপ্ত মরুভূমির বালুর ওপর শুইয়ে বুকের ওপর ভারী পাথর চাপিয়ে নির্যাতন করা হতো, তবুও তিনি ঈমান থেকে সরে যাননি। খাব্বাব (রা.)-কে উত্তপ্ত কয়লার ওপর শুইয়ে নির্যাতন করা হয়েছিলো। অনেকে আছে যারা ইসলামের জন্য আজীবন কষ্ট সহ্য করে গেছেন। তারা এসব কষ্টের কারণে আল্লাহর বিরোধিতা করেননি। আর নাস্তিকদের ব্যাপারটা এর ঠিক উল্টো। তারা কষ্ট মেনে নিতে চায় না। যেমন — ক্রিস্টোফার হিচেন্স তার God Is Not Great বইয়ে ঈশ্বরকে সমা...

আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী :

আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী : আল্লাহ কি এমন পাথর বানাতে পারবেন যা তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না? আল্লাহ কি নিজে সহ সবকিছু মুছে ফেলতে পারবেন? আল্লাহ কি কোনো এক কিছু না বানিয়েই তা ধ্বংস করতে পারবেন? আল্লাহ কি অযৌক্তিক ব্যাপারকে একই সাথে যৌক্তিক বানাতে পারবেন? > হয়তো পারতেও পারেন। [] আল্লাহর সাথে আমাদের কোনো মিল নেই এর অর্থ এ নয় যে, আমি দেখতে পাই তাহলে আল্লাহ দেখতেই পান না।  [] আল্লাহ পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু অর্থ এ নয় যে, তিনি সবাইকে শুরু থেকেই ভালো বানিয়ে জান্নাতে সুখে রেখেছেন; কাউকে কখনো কষ্টই দেননি।  [] জান্নাতে যা যা চাওয়া হবে তাই দেয়া হবে অর্থ এ নয় যে ওখানে আল্লাহ হতে চাইলে তাও হওয়া যাবে। স্বাভাবিক এক পর্যায় আছে, যেমন একটি উদাহরণ দিই: কোনো এক কিছু ধ্বংস করতে হলে সেটা আগে বানাতে হয়। এই স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা হয়তো আল্লাহরও নেই। অর্থাৎ কিছু নিয়ম ভেঙে নতুন নিয়ম বানানোর ক্ষমতা হয়তো আল্লাহরও নেই।  কিন্তু আল্লাহ অসংখ্য নানা অসাধারণ জিনিস পারেন। যেমন— তিনি জীবন সৃষ্টি করতে পারেন, মৃত মানুষকে জীবিত করতে পারেন, তিনি মানুষের ইচ্ছেশক্তি বানাতে পারেন, তিনি শূন্য থেকে জ...

"নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে" বুদ্ধিমান ও মেধায় যথেষ্ট স্মার্ট:

 "নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে" বুদ্ধিমান ও মেধায় যথেষ্ট স্মার্ট: ইসলামের ফতোয়া সমাধান করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় দুটি গুণ হলো "এ ক্ষেত্রে" যথেষ্ট বুদ্ধিমান ও মেধায় স্মার্ট হওয়া। ১. ভালো স্মৃতিশক্তির তেমন কোনো প্রয়োজনই নেই; স্মৃতিশক্তি অনেক দুর্বল হলেও হবে। বেশি আয়াত, হাদিস মুখস্থ রাখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ২. মাদরাসায় পড়ারই দরকার নেই। ৩. প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় ভালো শিক্ষার্থী হওয়ারও প্রয়োজন নেই।  ৪. আরবি বোঝারও প্রয়োজন নেই। ৫. বিখ্যাত হওয়ারও প্রয়োজন নেই; কিছু মানুষ আপনাকে অনুসরণ করলেও অনেক; কিছু মানুষ সঠিকটা পালন করুক।  যা প্রয়োজন তা হলো, গবেষণা করতে পারার যে বুদ্ধি তা ও মেধার স্মার্টনেস। বর্তমানে ইন্টারনেট আছে, এআই আছে, ইউটিউব আছে, অনেক ই-বুক আছে, আপনি অনেক ধৈর্য ধরে ধরে বুদ্ধি খাটিয়ে খাটিয়ে অনেক ফতোয়া সমাধান করতে পারবেন, আরবিও জানতে হবে না; অর্থ বারবার চেক করবেন। বক্তব্য দেয়ার সময় পারলে ফোন অথবা বই দেখে দেখে বলবেন, তবুও সঠিকটা বলবেন। অনেক বড়ো বড়ো আলেমদের বই থেকে তাদের মতের ভেতর তুলনা করে করে বের করতে পারবেন কোনটা সঠিক। কিন্তু একটা কথা, গবেষণা করতে যথেষ্ট বুদ্ধিমান ও মেধায় স্...

আরবি ইসলামি শব্দ ও বাক্য বাংলা ধাঁচে:

আরবি ইসলামি শব্দ ও বাক্য বাংলা ধাঁচে: [] আরবি "নাবী", "সাও্যাব", "হাজ্জ", "মারয়্যাম", "আল্লাহ" ইত্যাদিকে বাংলায় নবি, সোয়াব, হজ্জ, মরিয়ম, আল্লা উচ্চারণ করা হয়। এগুলো এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় আসার ফলে ভিন্নভাবে হওয়া উচ্চারণমাত্র। > "আসসালামু আলাইকুম"-কে অনেকে "সালামালাইকুম" উচ্চারণ করে। এটাকে আঞ্চলিক বলা যেতে পারে। এটা দ্বারা একই বিষয়ই বোঝায়, ফলে অর্থ একই; এটাও একটা ভাষা, যেহেতু অনেক বেশি মানুষ বলে। তবে, এ ক্ষেত্রে "আসসালামু আলাইকুম" বলা উত্তম। [] "আল্লাহ" শব্দটা আল্লাহর কোনো নাম নয়, এটা আরবিতে স্রষ্টা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তাঁর একটি পরিচায়ক শব্দ। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু স্রষ্টা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন।

সহজভাবে বলি, এটা বলো না যে "আল্লাহ" সৃষ্টিকর্তার নাম। বরং এটি একটি আরবি ভাষার পরিচায়ক শব্দ, যা দ্বারা আরবি ভাষায় ও তার সাথে মিলে ইসলামে সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তাকে বোঝানো হয়। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে।

সহজভাবে বলি, এটা বলো না যে "আল্লাহ" সৃষ্টিকর্তার নাম। বরং এটি একটি আরবি ভাষার পরিচায়ক শব্দ, যা দ্বারা আরবি ভাষায় ও তার সাথে মিলে ইসলামে সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তাকে বোঝানো হয়। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে।

কিছু মনে রাখার বিষয় ও নিয়ম : — আহসানুল ইরফান

কিছু মনে রাখার বিষয় ও নিয়ম : — আহসানুল ইরফান ১. যতো কষ্টই আসুক না কেন, একদিন তো মারাই যাবো। ২. সাধারণভাবে বললে, পৃথিবীতে কোনো কিছুই পারফেক্ট নয়। ৩. তোমার চরিত্র অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই অনেক সুন্দর হতে হবে। রাসূল (সা.)-কে অনুসরণ করতে হবে। ৪. অবশ্যই সামান্য অহংকার ও শো-অফও করবে না। ৫. কোনো সৎ আলেম যদি কোনো আজব বা উদ্ভট ফতোয়াও দেয়, তবুও তার গঠনমূলক সমালোচনা করবে, আঘাতসূচক সমালোচনা নয়। ৬. জীবন হলো কাজের জায়গা, ঘুমোনোর জন্য করব, আনন্দের জন্য জান্নাত। ৭. পাপ কাজ করা যাবেই না। (বাধ্য হওয়া ছাড়া।) ৮. বাদ্য হারাম, গান নয়। গানের ক্ষেত্রে নির্ভর করে কী ধরনের গান, গানে কী বলা হচ্ছে, কাকে শোনানো হচ্ছে ইত্যাদি। যা গাওয়া হয়, তাই গান। যদি কোনো অটোতে অথবা সিএনজিতে কোনো বাদ্যসহ গান শুনতে পাও, শুনতে না চাইলেও, আর সেটাতে কোনো হারাম কথা নাও থাকে, তবুও সে গান পরে একা গাওয়ারও প্রয়োজন নেই, কারণ মানুষ তোমাকে ভুল ভাবতে পারে। ৯. কোনো মুভির শর্ট ক্লিপ, যে অংশে হারাম কিছু নেই, সেটাও দেখার প্রয়োজন নেই, কারণ মানুষ তোমাকে ভুল ভাবতে পারে। ১০. সুখের সময় সুখের জিনিস ভালো লাগে। কষ্টের সময় কষ্টের নানা সুন্দর ঘটনা হোক বা কষ্টে...

আমি স্বপ্নে কিছু দেখলাম আর বাস্তবে ঐ ধর্মী কিছু ঘটলো — এমন আমার সাথে যে যে ঘটনা ঘটেছে (কাকতালীয় ঘটনা নয়, আর আমি ভণ্ড আলেমদের মতো মিথ্যা কথা বলছি না): — আহসানুল ইরফান

আমি স্বপ্নে কিছু দেখলাম আর বাস্তবে ঐ ধর্মী কিছু ঘটলো — এমন আমার সাথে যে যে ঘটনা ঘটেছে (কাকতালীয় ঘটনা নয়, আর আমি ভণ্ড আলেমদের মতো মিথ্যা কথা বলছি না): — আহসানুল ইরফান একটা কথা বলি, আল্লাহ এমনভাবে করেন, যাতে অনেকে সন্দেহও করে, আবার অনেকে বিশ্বাসও করে। একটি উদাহরণ দিই। যেমন — তিনি স্বপ্নে অনেক কিছু দেখান, ফলে অনেকে বিশ্বাসও করে। আবার স্বপ্নে দেখান বলে অনেকে সন্দেহও করে। ঘটনা: ১. আমি ২০২২-এ একবার স্বপ্নে দেখি, আমার বড়ো দুলাভাই আমাদের বাসার পাশের বাসায় বড়ো একটি আয়না ঢোকাচ্ছে। আমি আমার বড়ো দুলাভাইকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি এটা কই থেকে এনেছেন? তিনি বললেন, নামুজা থেকে। তার ১ সপ্তাহ নাকি ২ সপ্তাহ পর দেখি, তারা ঐ বাড়ি কিনে নিলেন। ২. একবার আমি স্বপ্নে দেখি, আমার এক খালাতো ভাই আমাদের বাসায় এসেছে, এসে ডাইনিং টেবিলের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তার পর দিন দেখি, সে সত্যিই আমাদের বাসায় আসলো। সে আমাকে কিন্তু আগে বলেওনি যে সে আসবে। ৩. আমি ২০২৪-এ ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের কিছু দিন আগে স্বপ্ন দেখি, আমি আমার বাসা থেকে একটু দূরেই রাস্তায় দৌড়োচ্ছি, আর একদিকে পুলিশ, একদিকে আর্মি। আর সেদিন আমার ঢাকায় যাওয়ার টিকিট...