Posts

নবি ঈসা (আ.)-এর কিছু শিক্ষা আছে, যেগুলো বেশ সুন্দর এবং যেগুলো ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণ করতে আপত্তি থাকার কথা নয়। যেমন:

নবি ঈসা (আ.)-এর কিছু শিক্ষা আছে, যেগুলো বেশ সুন্দর এবং যেগুলো ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণ করতে আপত্তি থাকার কথা নয়। যেমন: নবি ঈসা (আ.) বলেছেন, কেউ এক গালে চড় মারলে অন্য গালও পেতে দিও। কেউ একটি চাদর নিয়ে গেলে অন্যটিও দিয়ে দিও। যেমন ব্যবহার তুমি অন্যের কাছ থেকে পেতে চাও, অন্যের প্রতিও তেমন ব্যবহার কোরো। তুমি নিজেকে যেমন ভালোবাসো, তোমার প্রতিবেশীকেও তেমন ভালোবাসবে। তবে বর্তমান বাইবেলে পাওয়া গেলেই কোনো বক্তব্যকে নিশ্চিতভাবে নবি ঈসা (আ.)-এর কথা বলা যায় না। কারণ মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মূল ইনজিল আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছিলো, কিন্তু বর্তমান বাইবেল সেই মূল ইনজিলের হুবহু সংরক্ষিত রূপ নয়। এ প্রসঙ্গে জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে:  জাবির (রা.) বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) আহলে কিতাবদের কাছ থেকে পাওয়া একটি কিতাব নিয়ে নবী (সা.)-এর কাছে এলেন এবং সেটি নবী (সা.)-এর সামনে পড়লেন। এতে নবী (সা.) অসন্তুষ্ট হলেন এবং বললেন, "হে খাত্তাবের পুত্র! তোমরা কি এ ব্যাপারে বিভ্রান্তিতে পড়েছো? সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, আমি তোমাদের কাছে একেবারে পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ দ্বীন নিয়ে এসেছি। তোম...

অহংকার, কেলানো, হিংসা এসব কথার জবাব দেয়ার এক পদ্ধতি

কেউ অহংকার করে কথা বললে সুযোগ থাকলে তার সামনেই বলবে যে, তুমি তো অহংকার করে কথা বলছো। কেউ কেলিয়ে তোমাকে ছোটো করার চেষ্টা করলে সুযোগ থাকলে তার সামনেই বলবে যে, তুমি তো কেলিয়ে আমাকে ছোটো করছো। (কেলিয়ে ছোটো করা = কেলানো = কাউকে হাসির পাত্র বানানো।) কেউ হিংসা করলে, সুযোগ থাকলে তার সামনেই বলবে যে, তুমি তো হিংসা করছো। _________________________________________________ কেউ যদি এ ধরনের প্রশ্ন করে যে, তোমাকে যদি এখন ইসলামের জন্য যুদ্ধে গিয়ে মারা যেতে হয়। তুমি যাবে? তাকে জিজ্ঞেস করবে, আপনি ধার্মিক হলে আপনি কী করতেন? অর্থাৎ অনেক ক্ষেত্রে উল্টো তাকেই প্রশ্ন করবে, আপনি হলে কী করতেন? [] কিন্তু কাউকে ছোটো করানোর জন্য অথবা অহংকার করে এমন কখনো করবে না।

মুসলিম বিদ্রোহী — আহসানুল ইরফান

 মুসলিম বিদ্রোহী — আহসানুল ইরফান আমি মুসলিম বিদ্রোহী — সত্য আমার গান, জুলুমের প্রাসাদ কাঁপে, জাগে বিবেক-প্রাণ। মিথ্যার কালো রাত যতো করুক পথ রোধ, হকের পথে মাথা তুলে — এটাই আমার বোধ। আমি মুসলিম বিদ্রোহী — ভয়কে করি ক্ষয়, অন্যায়ের আঁধার ভেদে সত্যের সূর্যোদয়। কলম আমার বজ্রকণ্ঠ, ঈমান আমার ঢাল, রবের পথে অটল আমি — সত্যই আমার চাল।

যারা জন্মদিন পালন করাকে হারাম বলে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন:

যারা জন্মদিন পালন করাকে হারাম বলে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন:  ১. "জয় বাংলা" আওয়ামী লীগের স্লোগান, তাই এ স্লোগান বর্তমানে দেয়া ঠিক হবে না। কিন্তু ধরুন, যদি এমন হয়, ভবিষ্যতে ১০০০ বছর পর এটা অন্য কোনো দলের, যেমন হতে পারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের, অথবা সাধারণ স্লোগান হয়ে গেলো, তখন কি এই স্লোগান দিতে সমস্যা আছে? না। তখন তো এটা কোনো হারাম দলের স্লোগান নয়। জন্মদিন অনেক অতীতে অমুসলিমদের নানা ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতো, কিন্তু এখন কি রাখে? অতীতেও অনেকে এটা অনেকভাবেই পালন করেছে। অমুসলিমরা বিজ্ঞানমেলা আবিষ্কার করেছে, তাতেই কি তা মুসলিমদের জন্য হারাম? ২. যারা বলে এটা অনর্থক, তাই হারাম, তাদের জন্য: আমি আমার হাত চেয়ার থেকে টেবিলে রাখলাম, এতে কোনো উপকার হলো? উপকার না হলেই কি হারাম? ঘরে যে প্লাস্টিকের ফুল রাখা হয়, সাধারণ নানা শোপিস রাখা হয়, তাতে কোনো উপকার হয়? ভালো লাগে, তাই রাখে। তবে ধরুন, আমার পরীক্ষা আছে, কিন্তু আমি পরীক্ষা না দিয়ে প্লাস্টিকের ফুল দিয়ে খেলা করছি, তখন প্লাস্টিকের ফুল দিয়ে খেলা করা অনর্থক। ৩. রাসূল (সা.) মদিনায় এসে দেখলেন, দুটি দিনে মানুষ আনন্দ উদযাপন করে... — এই হাদিস থেকে...

ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অপমান করলে তার জন্য যে মামলা

ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অপমান, যার সম্ভাব্য ফল হলো, যাকে অপমান করা হয়েছে, সে ব্যক্তি শান্তিভঙ্গ বা অন্য কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে, এমন অপমান করলে সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০৪ ধারায় অপমানকারীর বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

ক্ষমা চাওয়া যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝানোর জন্য নতুন এক পদ্ধতি:

ক্ষমা চাওয়া যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য আমি একটা নতুন পদ্ধতি বের করেছি, তা হলো: তুমি যদি আমাকে বারবার অন্যায়ভাবে কষ্ট দাও, বারবার মানা করার সত্ত্বেও, তাহলে আমি তোমাকে একদিন না একদিন মেরে প্রতিশোধ তুলবো। তুমি পরে ভালো হয়ে গেলেও মারবো, ২০ বছর পরে হলেও মারবো, আমি বেঁচে থাকলে যা হওয়ার হোক, সুযোগ পেলে একদিন মারবোই, ইনশাআল্লাহ। এ ছাড়া, পরকালের জন্য বললে, ক্ষমা চাও, নয়তো জাহান্নামে যাও।

অহংকারীদের জন্য আমি যে শাস্তি চাই

যে সকল বাবা-মা তাদের সন্তানদেরকে শিখিয়ে দেয়, তাদের আত্মীয়দের বাসায় গিয়ে অহংকার করে বলবি, তুই ডাক্টর হয়েছিস, অন্যদেরকে বারবার কেলিয়ে ছোটো করবি — এই শয়তানদেরকে তোমার সামনে থেকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার চেষ্টা করবে। আল্লাহ পরকালে ঐ শয়তানদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করুক, ওখানে মেরে জীবিত করে আবার মারুক। আমিন। (এখানে, কেলিয়ে ছোটো করা = কেলানো = কাউকে হাসির পাত্র বানানো।) # প্রতিশোধপরায়ণ #ক্ষমা_করবো_না যে অন্যের সামনে পায়ের ওপর পা তুলে অহংকার করে কথা বলে, তাকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ওখান থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করবে। আল্লাহ পরকালে ঐ শয়তানের পা এবং মুখ কেটে জীবিত অবস্থায় রেখে গরম লোহার ওপর ফেলে রাখুক। আমিন। # প্রতিশোধপরায়ণ #ক্ষমা_করবো_না যারা ইংরেজি মিডিয়ামে পড়ে পশ্চিমাদের অনেক বেয়াদবদের মতো বেয়াদব হয়েছে, আবার যারা ইংরেজিতে কথা বলে শো-অফ বা অহংকার করতে, অথবা ঢং করে কথা বলে অহংকার করতে, অথবা অহংকার করে কথা বলে অন্যদেরকে ছোটো করতে — তাদেরকে তোমার সামনে থেকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার চেষ্টা করবে। আল্লাহ পরকালে তাদের মুখে অনেক পেরেক ঢোকাক, তারপর মুখ ঠিক করে আবার অনেক পেরেক ঢোকাক, তারপর আব...