Posts

আরবি ইসলামি শব্দ ও বাক্য বাংলা ধাঁচে:

আরবি ইসলামি শব্দ ও বাক্য বাংলা ধাঁচে: [] আরবি "নাবী", "সাও্যাব", "হাজ্জ", "মারয়্যাম", "আল্লাহ" ইত্যাদিকে বাংলায় নবি, সোয়াব, হজ্জ, মরিয়ম, আল্লা উচ্চারণ করা হয়। এগুলো এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় আসার ফলে ভিন্নভাবে হওয়া উচ্চারণমাত্র। > "আসসালামু আলাইকুম"-কে অনেকে "সালামালাইকুম" উচ্চারণ করে। এটাকে আঞ্চলিক বলা যেতে পারে। এটা দ্বারা একই বিষয়ই বোঝায়, ফলে অর্থ একই; এটাও একটা ভাষা, যেহেতু অনেক বেশি মানুষ বলে। তবে, এ ক্ষেত্রে "আসসালামু আলাইকুম" বলা উত্তম। [] "আল্লাহ" শব্দটা আল্লাহর কোনো নাম নয়, এটা আরবিতে স্রষ্টা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তাঁর একটি পরিচায়ক শব্দ। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু স্রষ্টা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন।

সহজভাবে বলি, এটা বলো না যে "আল্লাহ" সৃষ্টিকর্তার নাম। বরং এটি একটি আরবি ভাষার পরিচায়ক শব্দ, যা দ্বারা আরবি ভাষায় ও তার সাথে মিলে ইসলামে সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তাকে বোঝানো হয়। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে।

সহজভাবে বলি, এটা বলো না যে "আল্লাহ" সৃষ্টিকর্তার নাম। বরং এটি একটি আরবি ভাষার পরিচায়ক শব্দ, যা দ্বারা আরবি ভাষায় ও তার সাথে মিলে ইসলামে সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তাকে বোঝানো হয়। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে।

কিছু মনে রাখার বিষয় ও নিয়ম : — আহসানুল ইরফান

কিছু মনে রাখার বিষয় ও নিয়ম : — আহসানুল ইরফান ১. যতো কষ্টই আসুক না কেন, একদিন তো মারাই যাবো। ২. সাধারণভাবে বললে, পৃথিবীতে কোনো কিছুই পারফেক্ট নয়। ৩. তোমার চরিত্র অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই অনেক সুন্দর হতে হবে। রাসূল (সা.)-কে অনুসরণ করতে হবে। ৪. অবশ্যই সামান্য অহংকার ও শো-অফও করবে না। ৫. কোনো সৎ আলেম যদি কোনো আজব বা উদ্ভট ফতোয়াও দেয়, তবুও তার গঠনমূলক সমালোচনা করবে, আঘাতসূচক সমালোচনা নয়। ৬. জীবন হলো কাজের জায়গা, ঘুমোনোর জন্য করব, আনন্দের জন্য জান্নাত। ৭. পাপ কাজ করা যাবেই না। (বাধ্য হওয়া ছাড়া।) ৮. বাদ্য হারাম, গান নয়। গানের ক্ষেত্রে নির্ভর করে কী ধরনের গান, গানে কী বলা হচ্ছে, কাকে শোনানো হচ্ছে ইত্যাদি। যা গাওয়া হয়, তাই গান। যদি কোনো অটোতে অথবা সিএনজিতে কোনো বাদ্যসহ গান শুনতে পাও, শুনতে না চাইলেও, আর সেটাতে কোনো হারাম কথা নাও থাকে, তবুও সে গান পরে একা গাওয়ারও প্রয়োজন নেই, কারণ মানুষ তোমাকে ভুল ভাবতে পারে। ৯. কোনো মুভির শর্ট ক্লিপ, যে অংশে হারাম কিছু নেই, সেটাও দেখার প্রয়োজন নেই, কারণ মানুষ তোমাকে ভুল ভাবতে পারে। ১০. সুখের সময় সুখের জিনিস ভালো লাগে। কষ্টের সময় কষ্টের নানা সুন্দর ঘটনা হোক বা কষ্টে...

আমি স্বপ্নে কিছু দেখলাম আর বাস্তবে ঐ ধর্মী কিছু ঘটলো — এমন আমার সাথে যে যে ঘটনা ঘটেছে (কাকতালীয় ঘটনা নয়, আর আমি ভণ্ড আলেমদের মতো মিথ্যা কথা বলছি না): — আহসানুল ইরফান

আমি স্বপ্নে কিছু দেখলাম আর বাস্তবে ঐ ধর্মী কিছু ঘটলো — এমন আমার সাথে যে যে ঘটনা ঘটেছে (কাকতালীয় ঘটনা নয়, আর আমি ভণ্ড আলেমদের মতো মিথ্যা কথা বলছি না): — আহসানুল ইরফান একটা কথা বলি, আল্লাহ এমনভাবে করেন, যাতে অনেকে সন্দেহও করে, আবার অনেকে বিশ্বাসও করে। একটি উদাহরণ দিই। যেমন — তিনি স্বপ্নে অনেক কিছু দেখান, ফলে অনেকে বিশ্বাসও করে। আবার স্বপ্নে দেখান বলে অনেকে সন্দেহও করে। ঘটনা: ১. আমি ২০২২-এ একবার স্বপ্নে দেখি, আমার বড়ো দুলাভাই আমাদের বাসার পাশের বাসায় বড়ো একটি আয়না ঢোকাচ্ছে। আমি আমার বড়ো দুলাভাইকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি এটা কই থেকে এনেছেন? তিনি বললেন, নামুজা থেকে। তার ১ সপ্তাহ নাকি ২ সপ্তাহ পর দেখি, তারা ঐ বাড়ি কিনে নিলেন। ২. একবার আমি স্বপ্নে দেখি, আমার এক খালাতো ভাই আমাদের বাসায় এসেছে, এসে ডাইনিং টেবিলের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তার পর দিন দেখি, সে সত্যিই আমাদের বাসায় আসলো। সে আমাকে কিন্তু আগে বলেওনি যে সে আসবে। ৩. আমি ২০২৪-এ ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের কিছু দিন আগে স্বপ্ন দেখি, আমি আমার বাসা থেকে একটু দূরেই রাস্তায় দৌড়োচ্ছি, আর একদিকে পুলিশ, একদিকে আর্মি। আর সেদিন আমার ঢাকায় যাওয়ার টিকিট...

ইসলামে সাবিয়্যার সঙ্গে 'ওয়াত্ বিল-মিলক': ইসলামে যুদ্ধবন্দী নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক :

ইসলামে সাবিয়্যার সঙ্গে 'ওয়াত্ বিল-মিলক': ইসলামে যুদ্ধবন্দী নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক : আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) বলেন, "আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে বনু মুস্তালিকের অভিযানে গিয়েছিলাম এবং কিছু আরব নারীকে বন্দী করেছিলাম। আমরা তাদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক করতে এবং 'আযল' (এক ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ) করতে চাইলাম। তাই আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, 'তোমরা তা না করলেও কোনো ক্ষতি নেই; আল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত যে প্রাণ সৃষ্টি করবেন বলে নির্ধারণ করেছেন, তা অবশ্যই সৃষ্টি হবে।'" রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৪৩৮a; কিতাবুন নিকাহ, 'আযল'-এর বিধান; বই ১৬, হাদিস ১৪৬; পুরোনো ইউএসসি-এমএসএ: বই ৮, হাদিস ৩৩৭১ হাদিসের মান: সহীহ। অনেক ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক এ প্রথাটিকে তৎকালীন যুদ্ধ ও দাসত্বব্যবস্থার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করেন। তাঁদের আলোচনায় সাধারণত — ১. পারস্পরিক প্রতিশোধমূলক প্রথা: তৎকালীন সময়ে মুসলিম নারীরা প্রতিপক্ষের হাতে বন্দী হলে তাদের সাথেও একই আচরণ করা হতো। ফলে শত্রু পক্ষকে দমনের জন্য এটি একটি যুদ্ধকালীন কৌশল বা প্রথা হিসেবে প্রচলিত ছ...

আজওয়া খেঁজুর খেলে বিষ খেলেও সমস্যা হবে না?

 "যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ ও জাদু তার ক্ষতি করতে পারবে না।"  — (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৪৪৫) উল্লেখ্য: বিষ খেলেও সমস্যা হবে না। অনেক আলেমের মতে, এখানে কিছু শর্ত আছে: ১. কোনো কোনো স্কলারের মতে, এই বিশেষ গুণটি শুধুমাত্র মদিনায় উৎপাদিত আজওয়া খেজুরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ২. সকালবেলার আমল: হাদিসে 'তাসাব্বাহা' বা সকালে খালি পেটে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা দিনের শুরুতেই শরীরকে এক ধরনের সুরক্ষা দেয়। ৩. 'সাত' সংখ্যার রহস্য: চিকিৎসাবিজ্ঞান বা মানুষের সাধারণ যুক্তি দিয়ে এটি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। 'সাত' সংখ্যার এক ধরনের আধ্যাত্মিক ও বরকতময় গুরুত্ব রয়েছে, যার প্রকৃত রহস্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন। ৪. এই আমলের কার্যকারিতা আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও সুন্নাহর প্রতি অবিচল আস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনটি খেলা ছাড়া বাকি সব খেলা হারাম নয়:

Image
 তিনটি খেলা ছাড়া বাকি সব খেলা হারাম নয়:  "তিনটি খেলা ছাড়া সব খেলা হারাম। ১. স্ত্রীর সঙ্গে খেলা, দৌড়া দৌড়ি। ২. নিজের ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেয়া। ৩. তীর নিয়ে খেলা।" — আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসূফ https://youtu.be/Im4KwUQUl58?si=KP9FtdCgXUmJhyqp https://youtu.be/D7olKIR-6IE?si=dHKey5mEn5ij5JiM [] হাদিস: "একজন মুসলিম ব্যক্তি যে সকল খেলাধুলা ও বিনোদন করে, তা অনর্থক — তবে তার ধনুক দিয়ে তীর নিক্ষেপ করা, তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেয়া এবং তার স্ত্রীর সঙ্গে আনন্দ-কৌতুক করা ছাড়া। কেননা এগুলো সত্য বা সওয়াবের অন্তর্ভুক্ত।" — (সুনান ইবনু মাজাহ ২৮১১) হাদিসের মান: দারুসসালাম: হাসান হিসেবে গ্রেড করেছে। আলবানী: দুর্বল বলেছেন। শু'আইব আরনাউত: সনদকে হাসান বলেছেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। [] হাদিস: "আল্লাহর যিকর অন্তর্ভুক্ত নয় — এমন প্রত্যেক কাজই লাহও ও লাআব (বিনোদন ও খেলাচ্ছলে সময় কাটানো), তবে ৪টি বিষয় ব্যতিক্রম: তীরন্দাজির অনুশীলন, তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেয়া, তার পরিবারের বা স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমকেলি করা এবং তাকে সাঁতার শেখানো।" — (সুনান আন-নাসাঈ আল-কুবরা, হাদিস ৮৯৪০) (হাদিসের মান: শায...