Posts

Irfan's first law of God/ 1st IGL

[] Irfan's first law of God বা সংক্ষেপে নাম দিয়েছি 1st IGL: পৃথিবীর সকল মানুষ মিলেও যদি কোনো লাশের জন্য দোয়া করে অথবা যে তার হাত হারিয়েছে অথবা পা হারিয়েছে এ ধরনের, তার জন্য দোয়া করে, তবুও ঐ লাশ জীবিত হবে না, বা ঐ ব্যক্তি তার হাত অথবা পা ফিরে পাবে না, যদি না আল্লাহ নিজে চান, আর তা চাওয়া বিরল ঘটনা। [] Lawguide/ নিচেরটা 1st IGL guide : এখন করণীয় হলো এমন দোয়া করা, যা কবুল হতে পারে, যেমন — যে হাত হারিয়েছে অথবা পা হারিয়েছে, তার কোনো আর্থিক ব্যবস্থা হোক যেনো সে ভালো থাকতে পারে, অথবা যে মারা গেছে, তার পরিবারের কোনো আর্থিক ব্যবস্থা হয়ে যাক, যেনো তার পরিবার ভালো থাকতে পারে — এ ধরনের। (আমি ভাষা জটিল করতে চাচ্ছি না।)

কোন দোয়া কবুল হয়?

ধরুন, কোনো ছোটো বাচ্চা তার হাত হারিয়েছে, অথবা কারো বাবা মারা গেছে। এখন তার জন্য যদি পৃথিবীর সকলে মিলেও দোয়া করে, তবুও কি তার বাবা জীবিত হয়ে যাবে? নাহ। সব দোয়া কবুল হয় না। এখন দেখতে হবে অন্য সম্ভাব্য কী চাওয়া যায়? যেমন — ঐ বাচ্চার ভালো কোনো ব্যবস্থা হয়ে যাক, বা যার বাবা মারা গেছে, তার ভালো কোনো আর্থিক ব্যবস্থা হোক, এসব। যদি এমন হতো, ঈসা (আ.) এসে কোনো মৃত মানুষকে জীবিত করলেন, তাহলে সেটা ভিন্ন। এটা বিরল ঘটনা। ঐ ক্ষমতা আল্লাহ ঈসা (আ.)-কে দিয়েছিলেন।

Ai আসার ফলে কি সবাই সমান জেনে যাবে?

Ai আসার আগে Google বেশি ব্যবহার হতো, তবুও কি সবাই সবকিছু পারতো? না, যার মেধা ভালো, সে বেশি পারতো, যার মেধা কম, সে কম পারতো। তার আগে সাধারণত বই বেশি রিসার্চ করা হতো, তবুও কি সবাই সবকিছু পারতো? না, যার মেধা ভালো, সে বেশি পারতো, যার মেধা খারাপ, সে কম পারতো। আরও ধাপ আছে। তবে সাধারণত তার আগে ডালে লিখে রাখা, কাঠে লিখে রাখা —এগুলো ছিলো, তবুও কি সবাই সমান পারতো? না, কেউ বেশি, কেউ কম। AI-এর দ্বারাও অনেক কিছু শেখা যায়, তাই বলে সবাই সমান পারবে এমন নয়। আবার আগের মাধ্যমগুলোও পারফেক্ট নয়, আবার এখনকার মাধ্যমগুলোও পারফেক্ট নয়। এসব চলবেই। এছাড়া, নতুন মাধ্যম আসবে, আবার সেই মাধ্যমের জন্য কাজ করতে হবে।

আল্লাহ অনেক কিছু এমনভাবে করেন, যাতে ভালো অনেক মানুষ তা বিশ্বাস করে, আবার অনেকে তা সন্দেহও করে, আর এটা আল্লাহর পরীক্ষা:

আল্লাহ অনেক কিছু এমনভাবে করেন, যাতে ভালো অনেক মানুষ তা বিশ্বাস করে, আবার অনেকে তা সন্দেহও করে, আর এটা আল্লাহর পরীক্ষা: আল্লাহ রাতও দিয়েছেন, দিনও দিয়েছেন। ভালো মানুষও বানিয়েছেন, খারাপ মানুষও বানিয়েছেন। নোংরা প্রাণী, বিশৃঙ্খলা — এগুলোও বানিয়েছেন, আবার ফুল, ফল ও সুন্দর জিনিসও বানিয়েছেন। প্রকৃতিতে ভালো-মন্দ দুটোই আছে। প্রকৃতিকে কেউ বানায়নি — এটা হতে পারে না, কিন্তু আল্লাহকে কেউ বানায়নি — এটা হতে পারে; শুরুতে কিছু ছিলো, যেটাকে কেউ বানায়নি। আমাদের মহাবিশ্ব একটি বিন্দু থেকে শুরু হয়ে প্রসারিত হচ্ছে, এটা অসীম। সময়ও এক পর্যায়ে ছিলো না, কারণ সময় হতে হলে পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। আল্লাহ ইচ্ছাশক্তি, জীবন, সময়, স্থান, পদার্থ — এগুলো বানাতে পারেন এবং আরও অসংখ্য নানা কিছু। [] আল্লাহর সাথে আমাদের কোনো মিল নেই, এর অর্থ কি আমি যেহেতু দেখতে পাই, তাহলে আল্লাহ দেখতেই পান না? আমি বানাতে পারি, তাহলে আল্লাহ কোনো কিছুই বানাতে পারেন না? [] আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী এবং কারো প্রতি মুখাপেক্ষী নন, অর্থ কি আল্লাহর কোনো স্বার্থ নেই? আল্লাহ নিজেই ক্ষুধা দেন, আবার নিজেই খাবার দেন, নিজেই বিপদে ফেলেন, আবার নিজেই রক্ষা করে...

আল্লাহর এবং তার মানেই কি এমন যে :

আল্লাহর এবং তার মানেই কি এমন যে : আল্লাহ পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু মানে কি এমন যে আল্লাহ কাউকে হিংসা, বিদ্বেষ, অহংকার ইত্যাদি পাপ-আচরণ দেননি এবং সবাইকে ভালো বানিয়ে জান্নাতে সুখে রেখেছেন এবং কাউকে কখনো কষ্টই দেবেন না? অথবা যারা অনন্তকালের জন্য জাহান্নামে যাবে তাদেরকে বানালেনই না? অথবা কোনো প্রাণী অথবা ছোটো বাচ্চার যখন হাত পচে যায়, ফলে কেটে ফেলতে হয়, তখন তার পর ৪ বছর দোয়া করলে ঐ প্রাণী বা ছোটো বাচ্চা বা মানুষ তার হাত ফিরে পাবে, যখন প্রাণীর জন্য জীবন কোনো পরীক্ষা নয়? অথবা তিনি এমন নিয়ম বানাননি যে খাদ্যের জন্য আমাদের উদ্ভিদ ও প্রাণী হত্যা করতে হয় না, এবং হত্যা না করে ক্ষুধার্তে মারা গেলে তা এক ধরনের আত্মহত্যা, কিন্তু আল্লাহ জাহান্নামে তার জন্য শাস্তি দেবেন না? আবার আমি জানি একজনকে জন্ম দিলে সে পৃথিবীতে এসে কষ্ট পাবে, তবুও বাধ্য হয়ে জন্ম দিতে হতে হবে — তাই এ নিয়ম আল্লাহ বানালেন না? আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী অর্থ কি এটা যে, আল্লাহ কোনো এক কিছু না বানিয়েই তা ধ্বংস করতে পারবেন? এমন পাথর বানাতে পারবেন যা তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না? বা নিজেকে ধ্বংস করতে পারবেন? জান্নাতে যা চাওয়া হবে তাই দেয়া হবে...

জ্বীন কি ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করতে পারে? জ্বীন কি ফেরেশতাদেরকে দেখতে পায়?

 জ্বীন: যারা জ্বীন বশ কখনো করেছে, এমন ভিন্ন ভিন্ন তিনজনের কাছে গিয়ে নিচের চিন্তাশীল প্রশ্নগুলো জিজ্ঞেস করো, তারপর দেখো উত্তর মেলে কি না। জ্বীনের সাহায্য ভালো কাজের জন্য নেয়াও বৈধ নয়, তাই জ্বীনের সাহায্য নিয়ে করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যারা কখনো জ্বীন বশ করেছিলো, তারা যে জ্ঞান ইতোমধ্যে রাখে, সে জ্ঞান থেকে উত্তর দিক: (১) জ্বীন যদি জিনিস এনে দিতেই পারে, তাহলে কি ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা চুরি করে এনে দিতে পারবে? যদি পারেই, তাহলে যারা বশ করে তারা ধনী হয় না কেন? একজন মানুষ তার ফোনে কী পাসওয়ার্ড টাইপ করে, তা দেখে এসে বলতে পারবে? এগুলো যদি পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত হতো, তাহলে তো সমস্যা হবে। যদি উত্তর এটা হয় যে ফেরেশতারা মানুষের জিনিসের পাহারা দেয়, তাহলে কি শয়তান জ্বীন ফেরেশতাদের দেখতে পায়? ইবলিশের বংশধর থেকে কেউ কি ফেরেশতাকে দেখে ঈমান আনে? যখন কাউকে জ্বীন ধরে, তখন ফেরেশতারা আটকায় না, কিন্তু জিনিসের পাহারা দেয়? সোলাইমান (আ.)-এর জ্বীন জিনিস আনতে পারতো। বর্তমানের জ্বীন কি ১০ জন বিজ্ঞানীর সামনে এক টেবিল থেকে কোনো জিনিস অন্য টেবিলে এনে দিতে পারবে? (২) জ্বীনদের আদি পিতা কে, তা আমরা জানি না। ...

শব্দ বিভ্রান্তি:

 শব্দ বিভ্রান্তি: ১. "যতোটুকু পারো করো, বাকিটা আল্লাহর ভরসা।" কেউ বলতে পারে, "নাহ, পুরোটাই আল্লাহর ভরসা।"। হ্যাঁ, পুরোটাই আল্লাহর ভরসা, কিন্তু এখানে যা বোঝানো হচ্ছে তা হলো "যতোটুকু পারার করো, তুমি যা করবে তারপর বাকিটা আল্লাহ দেখবেনি", এটা কথা বলার এক ধরন মাত্র।  ২. "ঈমান অর্জন করতে খুব বেশি জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না, আল্লাহ চাইলেই একজনের অন্তরে ঈমান দিতে পারেন।" কেউ বলতে পারে, "নাহ, তুমি ভুল, 'আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে যারা জ্ঞানী তারাই কেবল তাকে ভয় করে' (৩৫:২৮)। এ আয়াতে জ্ঞানী বলতে যারা কুরআন সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান রাখে, যেমন: একজন ধার্মিক কৃষক হয়তো ইসলামের সব জানে না, কিন্তু কিছু ভালো জ্ঞান রাখে ফলে জ্ঞানী।  ৩. "যেকোনো কিছুর অতিরিক্ততা সমস্যাজনক, অতিরিক্ত ইবাদত করাও ঠিক নয়।"  কেউ বলতে পারে, "নাহ, নবি রসূলরা আল্লাহর অনেক ইবাদত করতেন"। ওপরে "অতিরিক্ত" বলতে বাড়াবাড়ি করা বোঝানো হচ্ছে, কেউ ধরুন সারাদিন শুধু নামাজই পড়ে, অন্য কিছুই করে নাহ, এমন অতিরিক্ততা।  ৪. "নারীকে চারটি কারণে বিবাহ করা হয়: তার ধন-সম্পদের জ...