Posts

সহজভাবে বলি, এটা বলো না যে "আল্লাহ" সৃষ্টিকর্তার নাম। বরং এটি আরবি ভাষার একটি পরিচায়ক শব্দ, যা দ্বারা আরবি ভাষায় ও তার সাথে মিলে ইসলামে সৃষ্টিকর্তা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তাঁকে বোঝানো হয়। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে। [] আমি "নাম" ও "পরিচায়ক শব্দ" দুটাকে ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করি।

সহজভাবে বলি, এটা বলো না যে "আল্লাহ" সৃষ্টিকর্তার নাম। বরং এটি আরবি ভাষার একটি পরিচায়ক শব্দ, যা দ্বারা আরবি ভাষায় ও তার সাথে মিলে ইসলামে সৃষ্টিকর্তা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তাঁকে বোঝানো হয়। আরবি ভাষা সব সময় ছিলো না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা, যিনি একমাত্র উপাস্য, তিনি সব সময় ছিলেন। অন্যান্য আসমানি কিতাবে তাঁকে অন্য পরিচায়ক শব্দে ডাকা হচ্ছে। [] আমি "নাম" ও "পরিচায়ক শব্দ" দুটাকে ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করি।

যে ইসলামের অনেক প্রশ্নবিদ্ধ বিষয় জানার পরও ইসলামে বিশ্বাস করে, ইসলাম পালন করে এবং ঐ প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়গুলো সমাধান করার চেষ্টা করে, সে আমার কাছে অনেক বেশি প্রকৃত মুসলিম। আর যে কেবল ভালো ভালো সুন্দর কথাগুলো গ্রহণ করে, আর প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়গুলো লুকোনোর চেষ্টা করে, শুনতে চায় না, সমাধান করতে চায় না, সে অনেক ক্ষেত্রেই একজন সুবিধাবাদী মুসলিম। > যে ইসলামকে ভালোভাবে জেনে তা গ্রহণ করে, তার ভেতর তেমন সন্দেহ থাকে না। আর যে কেবল ভালো ভালো সুন্দর কথা শুনে ইসলাম গ্রহণ করে, সে পরবর্তীতে আবার পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রাখে, অনেক সময় দেখা যায় হয়তো কেবল রমজান মাসে ইসলাম পালন করে, কিন্তু অন্য মাসে পালন করে না। [] বাস্তবতা অনেক ক্ষেত্রেই অনেক কঠিন।

যে ইসলামের অনেক প্রশ্নবিদ্ধ বিষয় জানার পরও ইসলামে বিশ্বাস করে, ইসলাম পালন করে এবং ঐ প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়গুলো সমাধান করার চেষ্টা করে, সে আমার কাছে অনেক বেশি প্রকৃত মুসলিম। আর যে কেবল ভালো ভালো সুন্দর কথাগুলো গ্রহণ করে, আর প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়গুলো লুকোনোর চেষ্টা করে, শুনতে চায় না, সমাধান করতে চায় না, সে অনেক ক্ষেত্রেই একজন সুবিধাবাদী মুসলিম। > যে ইসলামকে ভালোভাবে জেনে তা গ্রহণ করে, তার ভেতর তেমন সন্দেহ থাকে না। আর যে কেবল ভালো ভালো সুন্দর কথা শুনে ইসলাম গ্রহণ করে, সে পরবর্তীতে আবার পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রাখে, অনেক সময় দেখা যায় হয়তো কেবল রমজান মাসে ইসলাম পালন করে, কিন্তু অন্য মাসে পালন করে না। [] বাস্তবতা অনেক ক্ষেত্রেই অনেক কঠিন।

আওয়ামী লীগ, জামায়াত, শিবির, বিএনপি, ইসলামী কোনো সন্ত্রাসী দল, ইসলামি কোনো উগ্র দল, অন্য ধর্মের কোনো উগ্র বা সন্ত্রাসী দল। যে-ই অন্যায় করবে না কেন, তাকেই ন্যায্য শাস্তি পেতে হবে, যার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে, সে নিজে ক্ষমা করে দিলে ভিন্ন বিবেচনা।

"আওয়ামী লীগ, জামায়াত, শিবির, বিএনপি, ইসলামী কোনো সন্ত্রাসী দল, ইসলামি কোনো উগ্র দল, অন্য ধর্মের কোনো উগ্র বা সন্ত্রাসী দল। যে-ই অন্যায় করবে না কেন, তাকেই ন্যায্য শাস্তি পেতে হবে, যার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে, সে নিজে ক্ষমা করে দিলে ভিন্ন বিবেচনা।" — আহসানুল ইরফান

পৃথিবীতে খুন হয়, ধর্ষণ হয়, ছোটো বাচ্চাদের ক্যান্সার হয়, খাদ্যের জন্য বাধ্য হয়ে প্রাণী ও উদ্ভিদ হত্যা করতে হয়, বছরের পর বছর ধরে দোয়া করলেও অনেকে সুস্থ হয় না, জাহান্নামের ভয়ানক শাস্তি। এসব কষ্ট আমি মেনে নিই। আল্লাহর ন্যায়নিষ্ঠতা ও সিদ্ধান্তের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখি। ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর জন্য নিজের সন্তানকেও কুরবানি করতে রাজি হয়েছিলেন। অনেক সাহাবি ইসলামের জন্য প্রচণ্ড নির্যাতন সহ্য করেছেন এবং অনেকে জীবনও দিয়েছেন। নিজের জান, মাল, স্ত্রী, সন্তান — সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে আল্লাহকে, নয়তো সে মুমিন নয়। আল্লাহকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। — আহসানুল ইরফান

পৃথিবীতে খুন হয়, ধর্ষণ হয়, ছোটো বাচ্চাদের ক্যান্সার হয়, খাদ্যের জন্য বাধ্য হয়ে প্রাণী ও উদ্ভিদ হত্যা করতে হয়, বছরের পর বছর ধরে দোয়া করলেও অনেকে সুস্থ হয় না, জাহান্নামের ভয়ানক শাস্তি। এসব কষ্ট আমি মেনে নিই। আল্লাহর ন্যায়নিষ্ঠতা ও সিদ্ধান্তের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখি। ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর জন্য নিজের সন্তানকেও কুরবানি করতে রাজি হয়েছিলেন। অনেক সাহাবি ইসলামের জন্য প্রচণ্ড নির্যাতন সহ্য করেছেন এবং অনেকে জীবনও দিয়েছেন। নিজের জান, মাল, স্ত্রী, সন্তান — সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে আল্লাহকে, নয়তো সে মুমিন নয়। আল্লাহকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। — আহসানুল ইরফান

ইসলামকে যারা খারাপভাবে দেখে, তাদের খারাপভাবে দেখার পেছনে মূল যে কারণগুলো আসলে থাকে:

ইসলামকে যারা খারাপভাবে দেখে, তাদের খারাপভাবে দেখার পেছনে মূল যে কারণগুলো আসলে থাকে: আল্লাহ এটা করেননি যে, তুমি যদি জান্নাতে যাও, তাহলে তোমার সাথে যে নারী থাকবে, সে একাই ৭২ রকমের রূপ ধারণ করতে পারবে, তোমার ভিন্ন ভিন্ন নারীর কাছে যেতে হবে না। বরং আল্লাহ বলেছেন, কেউ জান্নাতে গেলে ৭২টা ভিন্ন ভিন্ন হুর পাবে। ফলে মানুষ বিষয়টা খারাপভাবে দেখছে। অথবা, আল্লাহ এটাও বলেননি যে, তোমার একজনকেই নতুন করে বারবার ভালো লাগতে থাকবে। আল্লাহ এটা ঘটাননি যে, অন্যান্য মুসলিমরা যেহেতু সর্বোচ্চ ৪টা বিয়ে করতে পারবে, তাই রাসূল (সা.)-এর ক্ষেত্রেও এর বেশি ঘটবে এমন ঘটতে না দিই, যাতে করে ভবিষ্যতে মানুষ এটাকে খারাপভাবে না দেখে। বরং আল্লাহ রাসূল (সা.)-এর ক্ষেত্রে ৪টার বেশি বিয়ে হতে ঘটতে দিয়েছেন। আল্লাহ এটা করেননি যে, আমি না হয় কুরআনে সংজ্ঞা, উদাহরণ, ব্যাখ্যা, শব্দের অর্থ — এসবসহ দিয়ে দিই, তাহলে মানুষের বুঝতে সুবিধা হবে। বরং কুরআনে এক জায়গায় বলা হচ্ছে, আল্লাহ পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু, আবার আরেক জায়গায় বলা হচ্ছে, আল্লাহ অনেকজনকে অনন্তকালের জন্য জাহান্নামে রাখবেন। হাদিস ব্যাপকভাবে সংগ্রহ করা শুরু হয়েছে রাসূল (সা.)-এর মৃত্যুর...

নাস্তিক ও আস্তিকদের ভেতর একটা বড়ো পার্থক্য হলো: আস্তিকরা কষ্ট মেনে নেয়, আর নাস্তিকরা কষ্ট মেনে নিতে চায় না।

নাস্তিক ও আস্তিকদের ভেতর একটা বড়ো পার্থক্য হলো: আস্তিকরা কষ্ট মেনে নেয়, আর নাস্তিকরা কষ্ট মেনে নিতে চায় না। যেমন — ইসলামে একজনকে তার জান, মাল, স্ত্রী, সন্তান — সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে আল্লাহকে, নয়তো সে মুমিন নয়। পৃথিবীতে খুন হয়, ধর্ষণ হয়, ছোটো বাচ্চাদের ক্যান্সার হয়, প্রাণীদেরও ক্যান্সার হয়, জাহান্নামেও ভয়ানক শাস্তি আছে। বছরের পর বছর দোয়া করলেও অনেকে সুস্থ হয় না। নবী-রাসূলরা এসব কষ্ট মেনে নিয়েছেন। নবী ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর জন্য নিজের সন্তান পর্যন্ত কুরবানি করতে চেয়েছেন। অনেক সাহাবি ইসলামের জন্য প্রচন্ড নির্যাতন সহ্য করেছেন, অনেকে জীবনও দিয়েছেন। বিলাল (রা.)-কে উত্তপ্ত মরুভূমির বালুর ওপর শুইয়ে বুকের ওপর ভারী পাথর চাপিয়ে নির্যাতন করা হতো, তবুও তিনি ঈমান থেকে সরে যাননি। খাব্বাব (রা.)-কে উত্তপ্ত কয়লার ওপর শুইয়ে নির্যাতন করা হয়েছিলো। অনেকে আছে যারা ইসলামের জন্য আজীবন কষ্ট সহ্য করে গেছেন। তারা এসব কষ্টের কারণে আল্লাহর বিরোধিতা করেননি। আর নাস্তিকদের ব্যাপারটা এর ঠিক উল্টো। তারা কষ্ট মেনে নিতে চায় না। যেমন — ক্রিস্টোফার হিচেন্স তার God Is Not Great বইয়ে ঈশ্বরকে সমা...

আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী :

আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী : আল্লাহ কি এমন পাথর বানাতে পারবেন যা তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না? আল্লাহ কি নিজে সহ সবকিছু মুছে ফেলতে পারবেন? আল্লাহ কি কোনো এক কিছু না বানিয়েই তা ধ্বংস করতে পারবেন? আল্লাহ কি অযৌক্তিক ব্যাপারকে একই সাথে যৌক্তিক বানাতে পারবেন? > হয়তো পারতেও পারেন। [] আল্লাহর সাথে আমাদের কোনো মিল নেই এর অর্থ এ নয় যে, আমি দেখতে পাই তাহলে আল্লাহ দেখতেই পান না।  [] আল্লাহ পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু অর্থ এ নয় যে, তিনি সবাইকে শুরু থেকেই ভালো বানিয়ে জান্নাতে সুখে রেখেছেন; কাউকে কখনো কষ্টই দেননি।  [] জান্নাতে যা যা চাওয়া হবে তাই দেয়া হবে অর্থ এ নয় যে ওখানে আল্লাহ হতে চাইলে তাও হওয়া যাবে। স্বাভাবিক এক পর্যায় আছে, যেমন একটি উদাহরণ দিই: কোনো এক কিছু ধ্বংস করতে হলে সেটা আগে বানাতে হয়। এই স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা হয়তো আল্লাহরও নেই। অর্থাৎ কিছু নিয়ম ভেঙে নতুন নিয়ম বানানোর ক্ষমতা হয়তো আল্লাহরও নেই।  কিন্তু আল্লাহ অসংখ্য নানা অসাধারণ জিনিস পারেন। যেমন— তিনি জীবন সৃষ্টি করতে পারেন, মৃত মানুষকে জীবিত করতে পারেন, তিনি মানুষের ইচ্ছেশক্তি বানাতে পারেন, তিনি শূন্য থেকে জ...