Posts

প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার কিছু ইচ্ছা ও প্রত্যাশা : — আহসানুল ইরফান

প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার কিছু ইচ্ছা ও প্রত্যাশা : — আহসানুল ইরফান আমি সত্যিই ভবিষ্যতে প্রযুক্তির এই ধরনের অগ্রগতি দেখতে চাই। এখানে উল্লেখ করা বিষয়গুলো ভবিষ্যতে অবশ্যই ঘটবে — এমন কোনো দাবি আমি করছি না। বরং এগুলো আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও প্রত্যাশা; আমি চাই প্রযুক্তি একদিন এই পর্যায়ে পৌঁছাক। ১. ১২ বছর বয়স থেকেই সহজে ডেবিট কার্ড : আমি চাই, ১২ বছর বয়স থেকেই নির্দিষ্ট শর্তে কিশোর-কিশোরীদের জন্য ডেবিট কার্ড পাওয়া সম্ভব হোক। অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের তথ্য ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে এবং পরে নিজের এলাকার ব্যাংক শাখা থেকে সহজেই কার্ড সংগ্রহ করা যাবে। ২. সব ভিডিওর জন্য সব ভাষায় AI ডাবিং : আমি চাই, YouTube ও Facebook-এর প্রতিটি ভিডিওতে AI-এর মাধ্যমে সব ভাষায় ডাবিংয়ের সুযোগ থাকুক। কোনো ভিডিও নির্মাতা এমনভাবে এই সুবিধা বন্ধ করে রাখতে পারবে না, যাতে অন্য ভাষার মানুষ ভিডিওটি নিজের ভাষায় দেখতে না পারে। অর্থাৎ, প্রতিটি ভিডিওই দর্শকের পছন্দের ভাষায় ডাব করে দেখার সুযোগ থাকা উচিত; সব ভিডিও। ৩. এক অপারেটিং সিস্টেমের অ্যাপ অন্যটিতে রূপান্তর : আমি এমন একটি শক্তিশালী AI দেখতে চাই, যা iOS-এর জন্য তৈরি...

(ফেরেশতা), নবী, সাহাবি, তাবেঈন, তাবে-তাবেঈন, মুজাদ্দিদ এবং অন্যান্য নেককার বান্দাদের ছোটোখাটো ও অনিচ্ছাকৃত ভুল :

(ফেরেশতা), নবী, সাহাবি, তাবেঈন, তাবে-তাবেঈন, মুজাদ্দিদ এবং অন্যান্য নেককার বান্দাদের ছোটোখাটো ও অনিচ্ছাকৃত ভুল : আল্লাহ তাআলা ছাড়া কোনো সৃষ্টিই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে "ভুল করতে পারেন" আর "অনেক ভুল করেন" — এই দুটি কথা এক নয়। আবার ভুল, অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি, ইজতিহাদি ভুল, তানবিহ এবং গুনাহও একই বিষয় নয়। তাই কোনো মর্যাদাবান ব্যক্তি বা নেককার বান্দার জীবনে কোনো ছোটোখাটো, অনিচ্ছাকৃত বা ইজতিহাদি ভুল পাওয়া গেলে, শুধু সেই একটি ঘটনা দিয়ে তাঁর সামগ্রিক চরিত্র, ঈমান, তাকওয়া বা মর্যাদা বিচার করা ঠিক নয়। [] আল্লাহ : আল্লাহ তাআলা কোনো রকম ভুল করেন না। তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা, ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত পরিপূর্ণ। তাই আল্লাহর ক্ষেত্রে ভুল, অজ্ঞতা বা অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির কোনো প্রশ্নই আসে না। [] ফেরেশতা : ফেরেশতারা আল্লাহর অবাধ্য হন না। তাঁরা আল্লাহর নির্দেশ পালন করেন। তবে ফেরেশতাদের সম্পর্কে কিছু ঘটনা নিয়ে তাফসির ও ইতিহাসের গ্রন্থে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। এর মধ্যে হারূত ও মারূত-এর ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সূরা আল-বাকারা ২:১০২-এ হারূত ও মারূতের উল্লেখ আছে। কিছু তাফসিরি বর্ণনায় এসেছে যে, তাঁরা মানুষ...

হানাফি, শাফিয়ি, হাম্বলি, আহলে হাদিস — এসব নামে নিজেকে ডাকা যেতে পারে, কিন্তু সব সময়ই এসব পরিচয় বারবার দেয়ার প্রয়োজন নেই, আর অন্য মাযহাব বা মানহাজকে ছোটো করে দেখার প্রয়োজন নেই। এমনিতে আলোচনা-বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু তর্ক করার প্রয়োজন নেই।

হানাফি, শাফিয়ি, হাম্বলি, আহলে হাদিস — এসব নামে নিজেকে ডাকা যেতে পারে, কিন্তু সব সময়ই এসব পরিচয় বারবার দেয়ার প্রয়োজন নেই, আর অন্য মাযহাব বা মানহাজকে ছোটো করে দেখার প্রয়োজন নেই। এমনিতে আলোচনা-বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু তর্ক করার প্রয়োজন নেই।  বর্তমানে মানুষ "সাধারণত" দেখে না যে কে হানাফি আলেম, কে হাম্বলি আলেম, কে আহলে হাদিস আলেম। মানুষ সাধারণত বড়ো প্রভাবশালী নানা আলেমদের কথা শোনে আর দেখে তিনি সঠিক বলছেন কি না; মানুষ ইউটিউবে একাধিক বড়ো আলেমের কথা শোনে আর জানার চেষ্টা করে কে সঠিক বলছে। যদি এমন হয়, একই বিষয়ে এই সময়ের তিনজন বড়ো আহলুস সুন্নাহর আলেমের বই আপনি পড়লেন আর দেখলেন তিনজনের মত ভিন্ন, আপনি যদি গবেষক হন, তাহলে গবেষণা করে দেখলেন যে তিনটির মধ্যে কোনটি সঠিক, আর যদি সময় না থাকে, তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে যেটা সঠিক মনে হয়, সেটাই মানলেন। কোনো বাড়াবাড়ি করার প্রয়োজন নেই। আহলে হাদিস, হানাফি, মালিকি —তাদের নিজেদের আলেমদের মধ্যেও মতোপার্থক্য আছে, আবার অনেকে নিজেও নিজের মত পরে পরিবর্তন করেছেন। খারিজিদের বড়ো বৈশিষ্ট্য ছিলো, তারা কিছু সত্য কথা বা নীতিকে এমনভাবে প্রয়োগ করতো যে তা চরমপন্থায় পরিণত হতো...

কুরআন ও হাদিসের ভাষা নিয়ে যে ভুলগুলো মানুষ করে, সে ক্ষেত্রে:

কুরআন ও হাদিসের ভাষা নিয়ে যে ভুলগুলো মানুষ করে, সে ক্ষেত্রে: ১. লাক্ষণিক অর্থবোধক বা অন্তর্নিহিত অর্থবোধক শব্দ ও বাক্যের আক্ষরিক অর্থ নেয়া। আমাদের সাধারণ জীবনেরই অনেক শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ আছে। যেমন — ধরুন, আমি বললাম, আমার মাথা ঘুরছে, তার মানে কি সত্যিই আমার মাথা ঘোরা শুরু করেছে? নাকি বেহুঁশ হয়ে যাবো বা পড়ে যাবো — এমন লাগছে? এর দ্বারা সাধারণত বোঝানো হয়, বেহুঁশ হয়ে যাবো বা পড়ে যাবো — এমন লাগছে। ইসলামের ক্ষেত্রে যেমন — আল্লাহর সাথে আমাদের কোনো মিল নেই, তার মানে কি আমি দেখি, তাহলে আল্লাহ দেখেনই না? আল্লাহ পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু মানে কি তিনি কোনো কষ্টই দেবেন না? জান্নাতে যা চাওয়া হবে, তাই দেয়া হবে তার মানে কি সেখানে আল্লাহও হওয়া যাবে? ২. প্রেক্ষাপট না বোঝা: "তোমরা যেখানে পাও তাদের হত্যা করো।" — (সূরা আল-বাকারাহ ২:১৯১) এই অংশটি একা পড়লে অর্থ খুব ব্যাপক মনে হতে পারে। কিন্তু আগের ও পরের আয়াতগুলোতে যুদ্ধ, নির্যাতন, মক্কা থেকে বহিষ্কার এবং যুদ্ধরত পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রসঙ্গ রয়েছে। আর এমন অনেক আয়াত আছে, যেগুলোর প্রেক্ষাপট না বুঝলে অনেকে ভুল বুঝবে। ৩. কুরআন ও হাদিস উভয়ই প্রায় ১৪শ ...

তকদিরের ক্ষেত্রে: অনেক কিছু আল্লাহ ঘটাবেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা, অনেক কিছু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে করবে বলেও সেগুলো লিখে রাখা আর এক্ষেত্রে সে নিজের থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবেই করবে; অনেক কিছু আল্লাহ বানানো প্রকৃতির সাধারণ নিয়মে ঘটবে বলেও লিখে রাখা, আবার অনেক কিছুর ব্যবস্থা আল্লাহ করে রেখেছেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা। যা কিছু হবে না কেন, সবকিছুই তকদিরে লিখে রাখা।

তকদিরের ক্ষেত্রে: অনেক কিছু আল্লাহ ঘটাবেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা, অনেক কিছু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে করবে বলেও সেগুলো লিখে রাখা আর এক্ষেত্রে সে নিজের থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবেই করবে; অনেক কিছু আল্লাহ বানানো প্রকৃতির সাধারণ নিয়মে ঘটবে বলেও লিখে রাখা, আবার অনেক কিছুর ব্যবস্থা আল্লাহ করে রেখেছেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা। যা কিছু হবে না কেন, সবকিছুই তকদিরে লিখে রাখা। ১. ধরো, তুমি ইচ্ছাকৃতভাবেই পাপ কাজ করলে, আল্লাহ লিখে রেখেছেন বলে তুমি করোনি; তুমি করবে বলেই ওটা লিখে রাখা। তার মানে এ নয় যে আল্লাহ তোমার প্রতি মুখাপেক্ষী। তকদির অর্থ নির্ধারণ, তার মানেই এ নয় যে আল্লাহ কোনো ফেরেশতা পাঠিয়ে তোমাকে ভেতর থেকে কন্ট্রোল করে পাপ কাজ করিয়ে দেন। ২. আবার, ধরো, হঠাৎ কোনো বই পড়ে গেলো, তুমি কি চাও বইটা পড়ে যাক? না। এটা ঘটবে বলেও লিখে রাখা। ৩. আবার, ধরো, আল্লাহ কোনো ফেরেশতা পাঠিয়ে কোনো ছোটো বাচ্চাকে রক্ষা করলেন, ঐ ছোটো বাচ্চা তো আর চায়নি যে সে রক্ষা হোক অথবা সে তো দোয়া করেনি। এটা আল্লাহ ঘটাবেন বলেও লিখে রাখা। ৪. আবার, ধরো, আল্লাহ চেয়েছেন তুমি ধনী পরিবারে জন্ম নাও, তোমার মেধা ভালো হোক, তুমি ভালো সঙ্গী পাও —এগুলোর ব্য...

Irfan's first law of God/ 1st IGL

[] Irfan's first law of God বা সংক্ষেপে নাম দিয়েছি 1st IGL: পৃথিবীর সকল মানুষ মিলেও যদি কোনো লাশের জন্য দোয়া করে অথবা যে তার হাত হারিয়েছে অথবা পা হারিয়েছে এ ধরনের, তার জন্য দোয়া করে, তবুও ঐ লাশ জীবিত হবে না, বা ঐ ব্যক্তি তার হাত অথবা পা ফিরে পাবে না, যদি না আল্লাহ নিজে চান, আর তা চাওয়া বিরল ঘটনা। [] Lawguide/ নিচেরটা 1st IGL guide : এখন করণীয় হলো এমন দোয়া করা, যা কবুল হতে পারে, যেমন — যে হাত হারিয়েছে অথবা পা হারিয়েছে, তার কোনো আর্থিক ব্যবস্থা হোক যেনো সে ভালো থাকতে পারে, অথবা যে মারা গেছে, তার পরিবারের কোনো আর্থিক ব্যবস্থা হয়ে যাক, যেনো তার পরিবার ভালো থাকতে পারে — এ ধরনের। (আমি ভাষা জটিল করতে চাচ্ছি না।)

কোন দোয়া কবুল হয়?

ধরুন, কোনো ছোটো বাচ্চা তার হাত হারিয়েছে, অথবা কারো বাবা মারা গেছে। এখন তার জন্য যদি পৃথিবীর সকলে মিলেও দোয়া করে, তবুও কি তার বাবা জীবিত হয়ে যাবে? নাহ। সব দোয়া কবুল হয় না। এখন দেখতে হবে অন্য সম্ভাব্য কী চাওয়া যায়? যেমন — ঐ বাচ্চার ভালো কোনো ব্যবস্থা হয়ে যাক, বা যার বাবা মারা গেছে, তার ভালো কোনো আর্থিক ব্যবস্থা হোক, এসব। যদি এমন হতো, ঈসা (আ.) এসে কোনো মৃত মানুষকে জীবিত করলেন, তাহলে সেটা ভিন্ন। এটা বিরল ঘটনা। ঐ ক্ষমতা আল্লাহ ঈসা (আ.)-কে দিয়েছিলেন।