Posts

মনোবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত উক্তি :

মনোবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত উক্তি : — আহসানুল ইরফান ১. মানুষ যখন দ্রুত হাঁটে বা দ্রুত দৌড়োয় তখন স্লো মোশনের গান গাইতে পারে না, আর যখন ধীরে হাঁটে বা ধীরে দৌড়োয় তখন ফাস্ট গান গাইতে পারে না।  ২. মানুষ অন্যের সে কষ্টই বোঝে যে কষ্ট সে বোঝে। ৩. মানুষ যখন অনেক সুখে থাকে তখন অতীতের কষ্টগুলো তার কাছে তেমন কষ্টের মনে হয় না। কিন্তু যখন কষ্টে থাকে তখন অতীতের কষ্টগুলোও আবার অনেক কষ্টের লাগে। ৪. মানুষ নতুন থেকে নতুন কিছু পাওয়ার ইচ্ছে পূরণের দ্বারা সুখ পায়, মানুষের কাছে এক জিনিস সব সময় ভালো লাগে না। পুরোনো কোনো জিনিসও মানুষের কাছে নতুন লাগতে পারে এভাবে যে সে দীর্ঘ সময় ধরে বা কখনো তা দেখেনি বা পায়নি। উদাহরণ: অনেক গ্রামের মানুষ শহরে ঘুরতে যায় আর অনেক শহরের মানুষ গ্রামে ঘুরতে যায়, কারণ গ্রামের মানুষের কাছে শহর নতুন আর শহরের মানুষের কাছে গ্রাম নতুন। অনেক সময় পুরোনো ছবিও দেখতে ভালো লাগে কারণ তখন সেটাই তার কাছে নতুন। > আমি আমার রুমের চারপাশে তাকাই দেখি কতোকিছু, আমার রুমে ফ্যান আছে, লাইট আছে, খাট আছে, বালিশ আছে, টেবিল আছে আরও কতো কী। কিন্তু এগুলোর দ্বারা আমি সুখ পাই না। আমি সুখ পাই নতুন ...

Cycle of Self-Interest-Driven Harm (স্বার্থসিদ্ধির কারণে ক্ষতি করার ধারাবাহিক চক্র):

Cycle of Self-Interest-Driven Harm (স্বার্থসিদ্ধির কারণে ক্ষতি করার ধারাবাহিক চক্র): আল্লাহ তাঁর স্বার্থে মানুষ সৃষ্টি করলেন, মানুষ তার স্বার্থে সন্তান জন্ম দিল, ওই সন্তান তার স্বার্থে খাবারের জন্য গাভি হত্যা করলো, আবার গাভি তার খাদ্যের জন্য ঘাস হত্যা করে। এখানে একজনের স্বার্থের জন্য অন্যের কষ্ট পেতে হচ্ছে। তবে, আমি বলছি না যে আল্লাহ অন্যায়কারী। ধরুন, আমি যদি না-ই থাকতাম, তাহলে কি আমার সুখের প্রয়োজন হতো? না। আর এখানে বাধ্য হয়ে অন্যকে কষ্ট দেয়া এই নিয়ম কিন্তু আল্লাহই বানিয়েছেন।  [] Cycle ≠ Circle: Cycle = চক্র। Circle = বৃত্ত

জ্বীন যদি চুরি করতেই পারে, তাহলে জ্বীন বশকারীরা ধনী হয়ে যায় না কেন?

 জ্বীন: যারা জ্বীন বশ কখনো করেছে, এমন ভিন্ন ভিন্ন তিনজনের কাছে গিয়ে নিচের চিন্তাশীল প্রশ্নগুলো জিজ্ঞেস করো, তারপর দেখো উত্তর মেলে কি না। জ্বীনের সাহায্য ভালো কাজের জন্য নেয়াও বৈধ নয়, তাই জ্বীনের সাহায্য নিয়ে করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যারা কখনো জ্বীন বশ করেছিলো, তারা যে জ্ঞান ইতোমধ্যে রাখে, সে জ্ঞান থেকে উত্তর দিক: (১) জ্বীন যদি জিনিস এনে দিতেই পারে, তাহলে কি ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা চুরি করে এনে দিতে পারবে? যদি পারেই, তাহলে যারা বশ করে তারা ধনী হয় না কেন? একজন মানুষ তার ফোনে কী পাসওয়ার্ড টাইপ করে, তা দেখে এসে বলতে পারবে? এগুলো যদি পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত হতো, তাহলে তো সমস্যা হবে। যদি উত্তর এটা হয় যে ফেরেশতারা মানুষের জিনিসের পাহারা দেয়, তাহলে কি শয়তান জ্বীন ফেরেশতাদের দেখতে পায়? ইবলিশের বংশধর থেকে কেউ কি ফেরেশতাকে দেখে ঈমান আনে? যখন কাউকে জ্বীন ধরে, তখন ফেরেশতারা আটকায় না, কিন্তু জিনিসের পাহারা দেয়? সোলাইমান (আ.)-এর জ্বীন জিনিস আনতে পারতো। বর্তমানের জ্বীন কি ১০ জন বিজ্ঞানীর সামনে এক টেবিল থেকে কোনো জিনিস অন্য টেবিলে এনে দিতে পারবে? যারা জ্বীন বশ করে তারা সে কাজ গোপনে করে। (২...

আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী :

আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী : আল্লাহ কি এমন পাথর বানাতে পারবেন যা তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না? আল্লাহ কি নিজে সহ সবকিছু মুছে ফেলতে পারবেন? আল্লাহ কি কোনো এক কিছু না বানিয়েই তা ধ্বংস করতে পারবেন? আল্লাহ কি অযৌক্তিক ব্যাপারকে একই সাথে যৌক্তিক বানাতে পারবেন? > হয়তো পারতেও পারেন। [] আল্লাহর সাথে আমাদের কোনো মিল নেই এর লাক্ষণিক অর্থ এ নয় যে, আমি দেখতে পাই তাহলে আল্লাহ দেখতেই পান না।  [] আল্লাহ পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু এর লাক্ষণিক অর্থ এ নয় যে, তিনি সবাইকে শুরু থেকেই ভালো বানিয়ে জান্নাতে সুখে রেখেছেন; কাউকে কখনো কষ্টই দেননি।  [] জান্নাতে যা যা চাওয়া হবে তাই দেয়া হবে এর লাক্ষণিক অর্থ এ নয় যে ওখানে আল্লাহ হতে চাইলে তাও হওয়া যাবে। > লাক্ষণিক অর্থ ≠ আক্ষরিক অর্থ। (দুটার সংজ্ঞা জানুন।) স্বাভাবিক এক পর্যায় আছে, যেমন একটি উদাহরণ দিই: কোনো এক কিছু ধ্বংস করতে হলে সেটা আগে বানাতে হয়। এই স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা হয়তো আল্লাহরও নেই। অর্থাৎ কিছু নিয়ম ভেঙে নতুন নিয়ম বানানোর ক্ষমতা হয়তো আল্লাহরও নেই।  কিন্তু আল্লাহ অসংখ্য নানা অসাধারণ জিনিস পারেন। যেমন— তিনি জীবন সৃষ্টি করতে পা...

ঈমান ও ৭টি আজওয়া খেজুর:

ঈমান ও ৭টি আজওয়া খেজুর: ১. রাসূল (সা.) বলেছেন, তোমাদের কেউ ঈমানদার হবে না, যতোক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, তার সন্তান এবং সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।" — (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ১৫) ২. রাসূল (সা.) বলেছেন, "না, যার হাতে আমার প্রাণ, তাঁর কসম! যতোক্ষণ না আমি তোমার নিজের জীবন থেকেও তোমার কাছে অধিক প্রিয় হই..." — (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৬৬৩২) ৩. "তোমাদের পিতা, সন্তান, ভাই, স্ত্রী... এগুলো যদি তোমাদের কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের চেয়ে অধিক প্রিয় হয়..." — (সূরা আত-তাওবা, আয়াত ২৪) [৪] "যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ ও জাদু তার ক্ষতি করতে পারবে না।" — (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৪৪৫) উল্লেখ্য: বিষ খেলেও সমস্যা হবে না। অনেক আলেমের মতে, এখানে কিছু শর্ত আছে: ক. এই আমলের কার্যকারিতা আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও সুন্নাহর প্রতি অবিচল আস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া, কোনো কোনো স্কলারের মতে, এই বিশেষ গুণটি শুধুমাত্র মদিনায় উৎপাদিত আজওয়া খেজুরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। হাদিসে 'তাসাব্বাহা' বা সকালে খালি পেটে খাওয়ার কথা বলা হয...

নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে" বুদ্ধিমান ও মেধায় যথেষ্ট স্মার্ট:

নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে" বুদ্ধিমান ও মেধায় যথেষ্ট স্মার্ট: ইসলামের ফতোয়া সমাধান করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় গুণগুলোর দুটি হলো "এ ক্ষেত্রে" যথেষ্ট বুদ্ধিমান ও মেধায় যথেষ্ট স্মার্ট হওয়া। যে প্রচণ্ড বুদ্ধিমান ও মেধায় যথেষ্ট স্মার্ট, কিন্তু তার ভালো স্মৃতিশক্তি নেই এবং জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছে, তার জন্য আমি "সাজেস্ট করে" বলবো: তুমি এআই, ইউটিউব, ই-বুক, বই এগুলো থেকে একাধিক আহলুস সুন্নাহর বড়ো বড়ো আলেমদের মত পড়বে, এআই-এর ক্ষেত্রে যাচাই করেও দেখবে সঠিক উত্তর দিচ্ছে কি না; একাধিক আহলুস সুন্নাহর বড়ো আলেমদের (মুজাদ্দিদ) মতের ভেতর তুলনা করে করে দেখবে কার মতটি সঠিক; ধৈর্য ধরে ধরে এবং এআই দিয়ে অর্থ চেক করে করে বুদ্ধি খাটিয়ে খাটিয়ে গবেষণা করে করে যাচাই-বাছাই করবে কোন মতটি সঠিক। তোমার জন্য আরও "সাধারণভাবে" বলবো: ১. ভালো স্মৃতি নেই যেহেতু, তাই না থাকলেও হবে। বেশি হাদিস ও আয়াত মুখস্থ রাখার প্রয়োজন নেই। পারলে বক্তব্য দেয়ার সময় বই দেখে দেখে বলবে, তবুও সঠিকটা বলবে। ২. মাদরাসায় পড়া আবশ্যিক নয়। ৩. প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় ভালো না হলেও হবে। ৪. আরবি বোঝাও অতীব জরুরি নয়। ৫. বি...

নাস্তিক ও আস্তিকদের ভেতর একটা বড়ো পার্থক্য হলো: "সহজভাবে বললে" আস্তিকরা কষ্ট মেনে নেয়, আর নাস্তিকরা কষ্ট মেনে নিতে চায় না।

নাস্তিক ও আস্তিকদের ভেতর একটা বড়ো পার্থক্য হলো: "সহজভাবে বললে" আস্তিকরা কষ্ট মেনে নেয়, আর নাস্তিকরা কষ্ট মেনে নিতে চায় না। যেমন — ইসলামে একজনকে তার জান, মাল, স্ত্রী, সন্তান — সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে আল্লাহকে, নয়তো সে মুমিন নয়। পৃথিবীতে খুন হয়, ধর্ষণ হয়, ছোটো বাচ্চাদের ক্যান্সার হয়, প্রাণীদেরও ক্যান্সার হয়, জাহান্নামেও ভয়ানক শাস্তি আছে। বছরের পর বছর দোয়া করলেও অনেকে সুস্থ হয় না। নবী-রাসূলরা এসব কষ্ট মেনে নিয়েছেন। নবী ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর জন্য নিজের সন্তান পর্যন্ত কুরবানি করতে রাজি হয়েছিলেন। অনেক সাহাবি ইসলামের জন্য প্রচন্ড নির্যাতন সহ্য করেছেন, অনেকে জীবনও দিয়েছেন। বিলাল (রা.)-কে উত্তপ্ত মরুভূমির বালুর ওপর শুইয়ে বুকের ওপর ভারী পাথর চাপিয়ে নির্যাতন করা হতো, তবুও তিনি ঈমান থেকে সরে যাননি। খাব্বাব (রা.)-কে উত্তপ্ত কয়লার ওপর শুইয়ে নির্যাতন করা হয়েছিলো। অনেকে আছে যারা ইসলামের জন্য আজীবন কষ্ট সহ্য করে গেছেন। তারা এসব কষ্টের কারণে আল্লাহর বিরোধিতা করেননি। আর নাস্তিকদের ব্যাপারটা সাধারণত এর ঠিক উল্টো। তারা "সহজভাবে বললে" কষ্ট মেনে নিতে চায় না। যে...