Posts

Showing posts from September, 2026

প্রযুক্তি নিয়ে আমার ১৪টি আশা: — আহসানুল ইরফান (তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)

প্রযুক্তি নিয়ে আমার ১৪টি আশা: — আহসানুল ইরফান (তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) ১. এমন ই-বুক বের হবে, যেখানে লেখা ও ছবির পাশাপাশি ভিডিওও থাকবে। ২. AI "পুরো" একটি বই → ছবি ও ডিজাইনসহ অন্য ভাষায় অনুবাদ করতে পারবে। এর জন্য AI টাকা নিলেও নিক। ৩. Draw.io-এর সঙ্গে শক্তিশালী AI থাকবে। ৪. AI-এ তিনটি Mode থাকবে — a. Simple Explanation Mode. b. Standard Mode. c. Detail Mode. ৫. YouTube ও Facebook-এর ভিডিওর dubbing option সব ভাষায় সব ভিডিওতে থাকবে আর এ option Off করে রাখার কোনো option থাকবে না। ৬. YouTube ও Facebook-এ ভিডিওর ভেতরের শেষের অংশে Note.doc/pdf/txt যোগ করার সুবিধা থাকবে, এবং AI-ও পুরো ভিডিওর বিষয়গুলো দিয়ে একটি Note তৈরি করে দেয়ারও অপশন থাকবে। ৭. প্রত্যেক যেসব পণ্য ব্যবহার করা মোটামোটি কঠিন, সেগুলোর সঙ্গে ঐ পণ্য ব্যবহার শেখার Video Card, যেটাতে কীভাবে ব্যবহার করতে হয় তার ভিডিও ও তার পাশাপাশি Manual-ও দেয়া হবে। একই ভিডিও কোম্পানির Website ও YouTube-এও থাকবে। ৮. AI → MS Office-এর সব ধরনের কাজ ভালোভাবে করে দিতে পারবে। ৯. সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের প্রত্যেক আপলোড করা ছবি Lock করে রাখার সুবি...

মসজিদ বেশি জাকজমক করা নিষেধ :

 ⚫ মসজিদ বেশি জাকজমক করা নিষেধ : [] "আমি আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি যে, মসজিদগুলো সরল ও সাধারণ রাখবে।" — (আবু দাউদ, হাদিস: ৪৪৮) [] ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "এক সময় আসবে, যখন মানুষ মসজিদগুলোকে সুসজ্জিত করবে, কিন্তু সেখানে নামাজ আদায়কারীর সংখ্যা খুব কম হবে।"  — (সুনান ইবন মাজাহ, হাদিস: ৭৩৯, সহিহ আলবানী) [] "কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে মসজিদগুলো অত্যন্ত শোভিত করা হবে, কিন্তু সেখানে কেউ নামাজ পড়বে না।"  — (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, হাদিস: ৩৫৫৮৫) [] "কিয়ামতের আগে মানুষেরা মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে, কিন্তু তা ইবাদতের জন্য নয়।"  — (ইবনু মাজাহ, হাদিস: ৭৩৮) [] আনাস ইবন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "কিয়ামত আসবে না, যতক্ষণ না মানুষ মসজিদ নিয়ে গর্ব করতে শুরু করে।"  — (সুনান ইবন মাজাহ, হাদিস: ৭৩৮, সহিহ আলবানী) [] রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদকে অতিরিক্ত শোভিত করা পছন্দ করতেন না এবং মসজিদকে সাধারণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। — (আবু দাউদ, হাদিস: ৪৪৮)

কোনো ইসলামিক বক্তব্যের শুরুতে ও শেষে সাধারণত যেগুলো বলা হয়:

 ⚫ কোনো ইসলামিক বক্তব্যের শুরুতে ও শেষে সাধারণত যেগুলো বলা হয়: __________________________________________________ ◾শুরুতে সাধারণত যেগুলো বলা হয়: ٱلْـحَمْدُ لِلَّهِ، وَٱلصَّلَاةُ وَٱلسَّلَامُ عَلَىٰ رَسُولِ ٱللَّهِ، وَعَلَىٰ آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ، أَمَّا بَعْدُ- উচ্চারণ: আল-হামদু লিল্লাহ, ওয়াস্-সালাতু ওয়াস্-সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, ওয়া আলা আ-লিহি ওয়া সাহাবিহি আজমাঈন, আম্মা বাদ। অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রসূলের ওপর, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সমস্ত সাহাবিদের ওপর। এরপর সাধারণত বলা হয়, أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ- بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ- উচ্চারণ: আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম। বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। অর্থ: আমি অভিশপ্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি। পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। __________________________________________________ এছাড়া শুরুতে বলা যেতে পারে,  اَلْـحَمْدُ لِلّٰهِ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوذُ بِاللّٰهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَ...

অলৌকিক ঘটনা কি কেবল নবি রসূলদের সাথেই ঘটে?

অলৌকিক ঘটনা কি কেবল নবি রসূলদের সাথেই ঘটে? = না। এমন অনেক ব্যক্তি ছিলেন যারা নবি অথবা রসূল ছিলেন না কিন্তু তাদের সাথে অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে।  [] সূরা আল-বাকারা (২:২৫৯) : তুমি কি তাকে দেখনি, যে এক জনপদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, যা ছিলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত? সে বলল, "আল্লাহ কীভাবে এ জনপদকে তার মৃত্যুর পর পুনরুজ্জীবিত করবেন?" তখন আল্লাহ তাকে মৃত করে দিলেন একশত বছরের জন্য, এরপর তাকে পুনর্জীবিত করে বললেন, "তুমি কতোকাল ছিলে?" সে বললো, "একদিন অথবা একদিনের কিছু অংশ।" আল্লাহ বললেন, "না, তুমি ছিলে একশত বছর। এখন তোমার খাদ্য ও পানীয়ের দিকে তাকাও—তা এতদিনেও পরিবর্তিত হয়নি। আর তোমার গাধার দিকেও তাকাও—এটা তো আমরা তোমার জন্য এক নিদর্শন বানিয়েছি। আর আমরা হাড়গুলোকে কীভাবে একত্র করি এবং পরে মাংস পরিয়ে দিই, তা দেখো।" যখন সব পরিষ্কার হয়ে গেলো, তখন সে বললো, "আমি জানি নিশ্চয়ই আল্লাহ সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।" এ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা একজন ব্যক্তির কথা বলছেন যাকে ১০০ বছরের জন্য মৃত রাখা হয়েছিলো এবং তারপর জীবন করা হয়েছিলো। [] আসহাবে কাহাফ (আরবি: أَصْحَابُ ٱلْكَهْفِ) অর্থ...

স্বপ্ন ও তার অলৌকিক ইঙ্গিত:

⚫ স্বপ্ন ও তার অলৌকিক ইঙ্গিত: মানবজীবনে কিছু স্বপ্ন এমনভাবে আত্মপ্রকাশ করে, যা নিছক মানসিক প্রতিফলন মাত্র নয়—বরং কখনো কখনো তা ভবিষ্যতের সংকেত, বিশেষ ঘটনার পূর্বাভাস কিংবা এক গভীর আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা হিসেবে প্রতিভাত হয়। ইতিহাসের পরিক্রমায় দেখা যায়, বহু মহান ব্যক্তিত্ব তাঁদের জীবনের মোড় পরিবর্তনকারী গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি ও অনুপ্রেরণা স্বপ্নের মাধ্যমে লাভ করেছেন। নিচে তেমনি কিছু বিশিষ্ট স্বপ্ন ও তাদের ব্যাখ্যা সুসংহতভাবে উপস্থাপন করা হলো: [] সৎ স্বপ্ন ও নবুয়তের সম্পর্ক: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "সৎ স্বপ্ন হলো নবুয়তের ৪৬টি অংশের একটি অংশ।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৬৯৮৯, সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২২৬৩) এ থেকে বোঝা যায়, সত্য ও পরিষ্কার স্বপ্ন কখনো কখনো আধ্যাত্মিক নির্দেশনার উৎস হতে পারে। > নবী ইউসুফ (আ.)–এর স্বপ্ন: ছোটবেলায় নবী ইউসুফ (আ.) তাঁর পিতাকে বললেন, "হে আমার পিতা, আমি স্বপ্নে দেখেছি, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ—আমি দেখলাম তারা আমাকে সেজদা করছে।" (সূরা ইউসুফ, আয়াত ৪) এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা ছিলো: ১১টি তারা = তাঁর ১১ ভাই সূর্য = তাঁর পিতা হযরত ইয়াকুব (আ.) চাঁদ = তাঁর ...

নামাজের সময় কোথায় হাত বাধাতে হবে:

⚫ নামাজের সময় কোথায় হাত বাধাতে হবে: [] "সাহল ইবনু সা'দ (রা.) থেকে, "মানুষকে আদেশ করা হয়েছিলো যে, নামাজে মানুষ ডান হাত বাম হাতের ওপরে রাখবে।" — (সহীহ বুখারী ৭৪০, সহীহ মুসলিম ৪০১) > এই হাদিসটি সর্বসম্মতভাবে সহীহ। এখানে হাত কোথায় রাখা হবে বুক নাকি নাভির নিচে – কিছু বলা হয়নি, কেবল বলা হয়েছে ডান হাত বাম হাতের ওপর রাখতে হবে। ____________________________________________________ ____________________________________________________ [] আলী ইবনে আবী তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "এটা সুন্নাহ যে, নামাজে মানুষ ডান হাত বাম হাতের কব্জি ধরে নাভির নিচে রাখবে।" — (সুনান আবু দাউদ ৭৫৬, সুনান আহমদ ৮৫৮, ইমাম আহমদ ও আবু দাউদ এটাকে হাসান বলেছেন; অনেক মুহাদ্দিস সহীহও বলেছেন) অবস্থান: নাভির নিচে। ওয়াইল ইবনে হুজর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে নামাজে দাঁড়িয়ে দেখেছি, তিনি তাঁর ডান হাত বাম হাতের ওপরে রেখেছেন বুকে। — (সুনান ইবনে খুযাইমাহ ৪৭৯, সহীহ; আলবানীও সহীহ বলেছেন) অবস্থান: বুকে। ____________________________________________________ কারা কারা সহীহ বলেছেন...

আমেরিকা-ইসরায়েল, শিয়া, সুন্নি:

 ⚫ আমেরিকা-ইসরায়েল, শিয়া, সুন্নি: > পৃথিবীতে এখন বিভিন্ন দেশে যে সংঘাতগুলো চলছে যেমন— রাষ্ট্রীয় সংঘাত, ধর্মীয় সংঘাত, আকিদাগত সংঘাত (শিয়া-সুন্নি) এগুলোর ধর্মীয় সংঘাত ও আকিদাগত সংঘাতের বেশিরভাগও হচ্ছে মূলত রাষ্ট্রীয় স্বার্থে: [] বাংলাদেশ একটি সুন্নি মুসলিম প্রধান দেশ এবং পাকিস্তানও একটি সুন্নি মুসলিম প্রধান দেশ, আর পাকিস্তানকে সাধারণত আমাদের চেয়ে বেশি ধার্মিক ধরা হয়। সেই পাকিস্তান ১৯৪৭-১৯৭১ পর্যন্ত আমাদের অত্যাচার করেছে। আফগানিস্তান সুন্নি মুসলিম প্রধান দেশ এবং পাকিস্তানও, তবুও তাদের ভেতর সংঘাত। ইসরায়েলের ১৮ শতাংশ মানুষ মুসলিম, কিন্তু ইসরায়েল তাদের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে না। অনেক ইসরায়েলি মুসলিম অনেক সময় বৈষম্যের শিকার হয়, কিন্তু তারা সাধারণত ভালোই আছে এবং অনেকেই সংসদে অংশ নেয়। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে, কারণ এক্ষেত্রে তাদের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ আছে। তারা তাদের ভূখণ্ড সম্প্রসারণ করতে চায়, পশ্চিম তীরের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চায়। সুন্নি দ্বারা শিয়া হত্যা: ১৯৭৯-২০০৩ ইরাকের সাবেক শাসক সাদ্দাম হোসেনের আমলে শিয়াদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হয়। ১৯৯১ সালের গণঅভ্যুত্...

গানবাজনা ও ইসলাম :

 ⚫ গানবাজনা ও ইসলাম : [1] Ringtone কিন্তু বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে তৈরি হয়। [2] নাশিদ অর্থাৎ ইসলামি গানে শি-শি ধরনের এক ধরনের দীর্ঘ সময়ের আওয়াজ (music) ব্যবহার করা হয়, সেটাও বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে তৈরি হয়। [3] নানা ইসলামি অনুষ্ঠান, যেমন— আলোকিত জ্ঞানি; সেখানে নানা কথা, যেমন— আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ; এগুলোর সাথে নানা আওয়াজ (music) হয়, সেগুলো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে তৈরি হয়। [1], [2] ও [3]-এর ভেতর [1]-তো প্রয়োজন।  [] "বিশেষ অনুষ্ঠানে" "নিরীহ বা বলা যেতে পারে কম উত্তেজক বাদ্যযন্ত্র" বাজানো হালাল, যেমন- দফ, আর রাসূল (সা.)-এর যুগে যে কয়টি বাদ্যযন্ত্র ছিলো তার ভেতর দফ সবচেয়ে প্রচলিত ছিলো আর দফ নিরীহ ও কম উত্তেজক। আর যদি হালাল গান গাইতে হয় সবার সামনে তাহলে কিশোরীরা সেটা করতে পারবে, যুবতীরা নয়।  গান: কুরআনে সূরা লোকমানে যে আয়াত (৩১:৬) দ্বারা আলেমরা গানবাজনাকে হারাম বলে, সেখানে যে শব্দ আছে তা হলো: লাহূও আল-হাদিস, যার অর্থ হলো মূলত তুচ্ছ বিনোদনের জন্য কথাবার্তা। এই শব্দের দ্বারা ওপরেরগুলো হারাম ঘোষণা করা সাধারণত যায় না। [] আর হাদিসে উট চলার গান গাওয়া, বিয়েতে কিশোরীদের গ...

কোনো জিনিসই সব সময় ভালো লাগে না। — আহসানুল ইরফান

 কোনো জিনিসই সব সময় ভালো লাগে না। — আহসানুল ইরফান কোনো জিনিসই সব সময় ভালো লাগে না। গ্রামের মানুষ শহরে ঘুরতে যায়, শহরের মানুষ গ্রামে। নতুনের প্রতি মানুষের এক অমোঘ টান। ভোরবেলার নিরবতায় মিষ্টি সুরের গান ভালো লাগে, সেই সময় ঝাঁকাঝাঁকি গান বেমানান। আবার আনন্দের মুহূর্তে চুপচাপ গান কেমন ফিকে লাগে, তখন দরকার জোরে তালে বাজা প্রাণখোলা সুর। কষ্টের সময় কষ্টের গান, সুখের সময় সুখের গানই ভালো লাগে। সুখও একরকম নয়— রোদেলা দুপুরের সুখ, পড়ন্ত বিকেলের সুখ, নির্জন রাতের সুখ— প্রত্যেকটার সুর আলাদা। সব গানে সবাইকে মানায় না, সব চরিত্রও নয়। ভালোবাসার গানও অনেক রকম — কোনোটা মিষ্টি, কোনোটা নিরব, কোনোটা কোমল। কিন্তু সবাইকে সবটা মানায় না। কোনো জিনিসই সব সময় ভালো লাগে না। অনেকে মনে করে, ঐ জিনিস ছাড়া সে হয়তো বাঁচতে পারবে না— কিন্তু আসলে সেটা এক ভুল বিশ্বাস, এইটাই সত্য। 🔵 গান হারাম নয়, বাদ্য হারাম। কোনো এক গান হারাম হবে কি না → তা নির্ভর করবে কী ধরনের গান; গানে কী বলা হচ্ছে, কাকে শোনানো হচ্ছে, সাথে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার হয়েছে কি না — এগুলোর ওপর। যা গাওয়া হয়, তাই গান। নাশিদও গান, নাশিদের ভেতরেও এমন কথা বলা যেতে পা...

বিপরীত — আহসানুল ইরফান

 বিপরীত — আহসানুল ইরফান উত্তরের ওপর দক্ষিণ বসে হাই তুলছে, আর আকাশে মাছেরা আলু-গন্ধা ফুলের মতো শান্তিতে সমবেগে উড়ছে — যেনো তারা পদার্থবিজ্ঞানের মাস্টারক্লাস করতে চায়। পৃথিবী উল্টো হয়ে গেছে, অথচ কারো কিচ্ছু যায় আসে না। গরুরা গাছে চড়ে বিচ হ্যাট পরে গান গাইছে — "দুধ দাও গো দুধ, নিউটনের মাথার ওপর..." আমি আর টেসলা শুচিবায়ুর রোগী; হাতে হাত রেখে গুনে গুনে হেঁটে চলেছি। এক... দুই... তিন... পাঁচ নাম্বারে এসে হঠাৎ টেসলা থেমে গিয়ে গম্ভীরভাবে বললো, — "ইরফান, যদি আগামীকাল বৃষ্টি না হয়… তাহলে আমাদের গবেষণা কি রোদে শুকাতে দেবো?" আমি চোখ মেলে তাকালাম, তারপর এক টুকরো উড়ন্ত ইলিশের দিকে আঙুল দেখিয়ে বললাম, — "না বন্ধু, আগামীকালও বৃষ্টি হবে, আমাদের নতুন ছাতা বানাতে হবে!" — "টেসলা আকাশের দিকে তাকিয়ে গম্ভীরভাবে বললো, — "ইরফান, এই গবেষণার নতুন ছাতা না বানালে… ভবিষ্যতের বিজ্ঞানীরা আমাদেরকে 'ভেজা আবিষ্কারক' নামে ডাকবে!” ঠিক তখনই দেখি সামনে থেকে লুঙ্গি পরা একজন লোক ইউরেকা ইউরেকা করে দৌড়ে আসছে। আরে! এ যে আর্কিমিডিস! হাতে একটা প্লাস্টিকের বালতি, তার ভেতর পানির বদলে বৃষ...

আমি যেমন বানান চাই: — আহসানুল ইরফান

 ⚫ আমি যেমন বানান চাই: — আহসানুল ইরফান বুঝানো ❌ বোঝানো ✔️ বিড়াল ❌ বেড়াল ✔️ শিয়াল ❌ শেয়াল ✔️ হিসাববিজ্ঞান ❌ হিসেববিজ্ঞান ✔️ দুজন, কজন ❌ দুই জন, কয় জন ✔️ একশত টাকা ❌ একশো টাকা ✔️ করবার, বলবার, দেখবার ❌ করার, দেখার, বলার ✔️ গিয়েছে ❌ গেছে ✔️ দেওয়া, নেওয়া ❌ দেয়া, নেয়া ✔️ মন ❌, মোন ✔️ বলেছিল, করেছিল, দিয়েছিল ❌  বলেছিলো, দিয়েছিলো, করেছিলো ✔️ বের হবে ❌ বেরোবে ✔️ বের হয়ে ছিল ❌ বেরিয়েছিলো ✔️ গায়ের লোক ❌ গ্রামের লোক ✔️ [] কি ও কী দুটার ব্যবহার ভিন্ন। "হ্যা" ও " না" দিয়ে উত্তর দেয়া যায় এ সব ক্ষেত্রে কি। আর বাকি সব ক্ষেত্রে "কী"।  "কোনো"-এর বানান কোনো। উদাহরণ: কোনো কিছু কি আছে। আর, "কোন"-এর বানান "কোন"। উদাহরণ: কোনটি ভালো। চাউল ❌  চাল ✔️ বাহিরে ❌ বাইরে ✔️ বুঝা = মাথায় ওপর বুঝা নিয়ে আছি। বোঝা = বুঝতে পারা।  কোরআন ❌ কুরআন ✔️ যমীন ❌ জামিন ✔️ নবী ❌ নবি ✔️ রাসূল ❌ রসূল ✔️ ফিরিশতা ❌ ফেরেশতা ✔️ Uttara ❌  Uttora ✔️ Bogra ❌ Bogura ✔️ চট্টগ্রাম ❌ চিটাগং ✔️  Chottogram ❌ Chitagong ✔️ গরু ❌ গোরু ✔️ ডাক্তার ❌ ডক্টর ✔️ হাসপাতাল ❌ হছপিটাল ✔️ পুলিশ ❌ পুলি...

মনোবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত উক্তি :

 ⚫ মনোবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত উক্তি : — আহসানুল ইরফান (১) মানুষ যখন দ্রুত হাঁটে বা দ্রুত দৌড়োয় তখন স্লো মোশনের গান গাইতে পারে না, আর যখন ধীরে হাঁটে বা ধীরে দৌড়োয় তখন ফাস্ট গান গাইতে পারে না। (২) কী ক্ষতি হতে পারে বা কেমন কষ্ট পেতে পারি তা আগেই কল্পনা করে ফেললে ভয় কমে যায়। যা পেতে ইচ্ছে করে তা আগেই অনেকবার কল্পনা করে ফেললে পাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। যাকে আঘাত দিতে ইচ্ছে করে তাকে মনে মনে অনেকবার আঘাত দিলে আঘাত দেয়ার ইচ্ছে কমে যায়.... (৩) মানুষ যখন অনেক সুখে থাকে তখন অতীতের কষ্টগুলো তার কাছে তেমন কষ্টের মনে হয় না। কিন্তু যখন কষ্টে থাকে তখন অতীতের কষ্টগুলোও আবার অনেক কষ্টের লাগে। (৪) মানুষ নতুন থেকে নতুন কিছু পাওয়ার ইচ্ছে পূরণের দ্বারা সুখ পায়, মানুষের কাছে এক জিনিস সব সময় ভালো লাগে না। পুরোনো কোনো জিনিসও মানুষের কাছে নতুন লাগতে পারে, এভাবে যে, সে "দীর্ঘ সময় ধরে" অথবা কখনো তা দেখেনি বা পায়নি। উদাহরণ: অনেক গ্রামের মানুষ শহরে ঘুরতে যায় আর অনেক শহরের মানুষ গ্রামে ঘুরতে যায়, কারণ গ্রামের মানুষের কাছে শহর নতুন আর শহরের মানুষের কাছে গ্রাম নতুন। অনেক সময় পুরোনো ছবিও দেখতে ভালো ...

কিছু গুরুত্বপূর্ণ দোয়া:

 ⚫ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দোয়া: ১.  رَبِّ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ - উচ্চারণ- রাব্বি আন্নি মাসসানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমিন। অর্থ- হে আমার প্রভু! আমি দুঃখে কষ্টে পতিত হয়েছি, তুমিই তো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।  (সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৮৩) > হজরত আইয়ুব (আ.) এই দোয়ার মাধ্যমে দীর্ঘকাল ধরে চলা রোগ-ব্যাধি ও কষ্টের সময় আল্লাহর কাছে ধৈর্যের সঙ্গে সাহায্য চেয়েছিলেন। তিনি বিনয় ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছিলেন। আল্লাহ তাঁর এই ধৈর্য ও একাগ্রতা পছন্দ করে তাঁকে সম্পূর্ণ আরোগ্য দান করেন এবং আগের সব সম্পদ ও পরিবার ফিরিয়ে দেন।  ২.  اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ - উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউযু বিকা মিনাল 'আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউযু বিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া আউযু বিকা মিন গালাবাতিদ-দাইনি ওয়া কাহরির রিজাল। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপন...