অনিয়মিতভাবে সম্মিলিত মুনাজাত (বিপদের সময়): (নিয়মিত নয়) :
অনিয়মিতভাবে সম্মিলিত মুনাজাত (বিপদের সময়): (নিয়মিত নয়) :
🔴 1.
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ ◾: جَاءَ رَجُلٌ بَعْدَ صَلَاةِ الْجُمُعَةِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "يَا رَسُولَ اللَّهِ! الْمَوَاشِي تَمُوتُ وَالنَّاسُ يَهْلِكُونَ" فَرَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَيْهِ وَأَمَّا النَّاسُ فَرَفَعُوا أَيْدِيَهُمْ مَعَهُ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ الْمَطَرَ.
রেওয়ায়েত করেছেন ◾আনাস ইবনু মালিক (রা.): (◾অন্য রেওয়ায়েতে ভিন্নভাবে বলা আছে) — শুক্রবারের নামাজের পর একজন লোক নবী (সা.)‑এর কাছে এলে বললো, হে আল্লাহর রসুল (সা.) গবাদি পশু মরছে, মানুষ হাহাকার করছে, মৃত্যুর সম্মুখীন হচ্ছে।" তখন রাসূল (সা.) উভয় হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন, এবং উপস্থিত লোকরাও তার সঙ্গে হাত তুলে সম্মিলিতভাবে দোয়ায় অংশ নিয়েছে, যতোক্ষণ না আল্লাহ বর্ষা নেমে আনলেন। > কিন্তু এ হাদিসে "আমিন" বলার কথা নেই"। কিন্তু 4 নম্বরে "আমিন" বলার কথা থাকায় "আমিন" বলা গ্রহণ করা যায়। > এটা নামাজের ভেতরে নয়, নামাজের বাইরে।— (সহীহ আল‑বুখারী, বই ১৫: বর্ষার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া (ইস্তিসকা), হাদিস ১০২৯)
🔴 2. মূসা (আ.)-এর শরীয়ত, ◾রাসূল (সা.)-এর নয়: আল্লাহ বলেন মুসা ও হারুনকে: “তোমাদের দোয়া কবুল হয়েছে।”
— (সূরা ইউনুস, ৮৯) হাদিস ও তাফসির থেকে জানা যায়, মূসা (আ.) দোয়া করছিলেন এবং হারুন (আ.) আমীন বলেছিল। ◾হাত তুলে কি না তা স্পষ্ট নয়। ◾ এবং এটি মূসা (আ.)-এর শরীয়ত, রাসূল (সা.)-এর নয়।
🔴 3. হাত তোলার ◾দুর্বল হাদিস: রাসূল (সা.) দরজা বন্ধ করার হুকুম দিলেন, এবং বললেন, "হাত তুলুন এবং বলুন: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।" আমরা কিছুক্ষণ হাত তুলেছিলাম (অর্থাৎ সম্মিলিতভাবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বললাম)। — (মুসনাদ আহমাদ ১৭১২১) বর্ণিত অনাস ও উদবা (রা.) থেকে, ও উপস্থিত সাহাবী‑দের সাক্ষ্যসহ।
🔴 4. যে হাদিস অনেকে সহীহ বলেছেন, কেউ বলেছেন হাদিসে ◾দুর্বলতা আছে: "যে কোনো মুসলমানের দল একত্রে দোয়া করলে এবং অন্যরা আমীন বললে, আল্লাহ তাদের দোয়া কবুল করেন।" — (তাবরানি, মুজামুল কাবির ৪/২৬ & হাকিম, আল-মুস্তদরাক ৩/৩৪৭)
Comments
Post a Comment