ফেরাউনকে আল্লাহ অনেকগুলো অলৌকিক কাজ দেখিয়েছিলেন, তবুও সে আল্লাহ তায়ালার ওপর ঈমান কেন আনেনি?
ফেরাউনকে আল্লাহ অনেকগুলো অলৌকিক কাজ দেখিয়েছিলেন, তবুও সে আল্লাহ তায়ালার ওপর ঈমান কেন আনেনি?
যেমন— লাঠিকে সাপ বানানোর মুজিজা, অলৌকিক হাতের জ্যোতি, অনেক আজাব যেমন: তুফান, ব্যাঙ চারদিকে ছড়িয়ে যাওয়া, নদীর জল রক্তে পরিণত হওয়া ইত্যাদি। এতো কিছুর পরেও সে আল্লাহ তায়ালার ওপর ঈমান কেন আনেনি?
১. ফেরাউন আজ থেকে প্রায় ৩২০০–৩০০০ বছর আগের কাফের ছিলো। মূসা (আ.) যখন ফেরাউনকে লাঠি সাপ বানিয়ে দেখিয়েছিলেন, তখন ফেরাউন ভেবেছিলো সেটা হয়তো যাদু। আবার ফেরাউন তার উপদেষ্টা হামানকে বলেছিলো একটি বড়ো প্রাসাদ বানাতে, যাতে সে ঐ প্রাসাদের ওপর উঠে দেখতে পারে, সত্যিই আল্লাহ আছেন কি না। এর অর্থ হলো— প্রথমত, সে আল্লাহ ও রিসালতের ব্যাপারে অজ্ঞ ছিলো।
২. ফেরাউন মনে করেছিলো, সে যদি মূসা (আ.)-এর ডাকে সাড়া দেয়, তাহলে তার ক্ষমতা ও মর্যাদা ধ্বংস হয়ে যাবে। ফেরাউন মিশরের রাজা ছিলো। সে আশঙ্কা করতো, বনি ইসরাইলের ঈমান যদি ছড়িয়ে পড়ে তবে তার শাসন ক্ষমতা টিকবে না।
৩. মূসা (আ.) আসলে ফেরাউনের প্রাসাদেই বড়ো হয়েছেন। ফেরাউনের অহংকারের কারণে এটা মানা কঠিন ছিলো যে, সেই মূসাই এখন আল্লাহর পক্ষ থেকে নবি হয়ে এসেছে।
৪. অহংকার ও জেদ: মানুষ যখন অহংকারী ও জেদি হয়ে যায়, তখন আল্লাহর বিরুদ্ধে কথা বলতেও ভয় পায় না। ফেরাউনের কাছে অহংকারী ও জেদি হয়ে থাকাটাই সঠিক মনে হয়েছিলো।
ফেরাউন মারা যাওয়ার শেষ মুহূর্তে ঈমান এনেছিলো বলে দাবি করেছিলো, কিন্তু আল্লাহ তা গ্রহণ করেননি।
Comments
Post a Comment