তকদিরের ক্ষেত্রে: অনেক কিছু আল্লাহ ঘটাবেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা, অনেক কিছু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে করবে বলেও সেগুলো লিখে রাখা আর এক্ষেত্রে সে নিজের থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবেই করবে; অনেক কিছু আল্লাহ বানানো প্রকৃতির সাধারণ নিয়মে ঘটবে বলেও লিখে রাখা, আবার অনেক কিছুর ব্যবস্থা আল্লাহ করে রেখেছেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা। যা কিছু হবে না কেন, সবকিছুই তকদিরে লিখে রাখা।
তকদিরের ক্ষেত্রে: অনেক কিছু আল্লাহ ঘটাবেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা, অনেক কিছু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে করবে বলেও সেগুলো লিখে রাখা আর এক্ষেত্রে সে নিজের থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবেই করবে; অনেক কিছু আল্লাহ বানানো প্রকৃতির সাধারণ নিয়মে ঘটবে বলেও লিখে রাখা, আবার অনেক কিছুর ব্যবস্থা আল্লাহ করে রেখেছেন বলেও সেগুলো লিখে রাখা। যা কিছু হবে না কেন, সবকিছুই তকদিরে লিখে রাখা।
১. ধরো, তুমি ইচ্ছাকৃতভাবেই পাপ কাজ করলে, আল্লাহ লিখে রেখেছেন বলে তুমি করোনি; তুমি করবে বলেই ওটা লিখে রাখা। তার মানে এ নয় যে আল্লাহ তোমার প্রতি মুখাপেক্ষী। তকদির অর্থ নির্ধারণ, তার মানেই এ নয় যে আল্লাহ কোনো ফেরেশতা পাঠিয়ে তোমাকে ভেতর থেকে কন্ট্রোল করে পাপ কাজ করিয়ে দেন।
২. আবার, ধরো, হঠাৎ কোনো বই পড়ে গেলো, তুমি কি চাও বইটা পড়ে যাক? না। এটা ঘটবে বলেও লিখে রাখা।
৩. আবার, ধরো, আল্লাহ কোনো ফেরেশতা পাঠিয়ে কোনো ছোটো বাচ্চাকে রক্ষা করলেন, ঐ ছোটো বাচ্চা তো আর চায়নি যে সে রক্ষা হোক অথবা সে তো দোয়া করেনি। এটা আল্লাহ ঘটাবেন বলেও লিখে রাখা।
৪. আবার, ধরো, আল্লাহ চেয়েছেন তুমি ধনী পরিবারে জন্ম নাও, তোমার মেধা ভালো হোক, তুমি ভালো সঙ্গী পাও —এগুলোর ব্যবস্থাও আল্লাহ করে রেখেছেন এবং এগুলোও লিখে রাখা।
যা কিছু হবে, সবই লিখে রাখা। যা আল্লাহ ঘটাবেন, যা কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে করবে, যা আল্লাহর বানানো প্রকৃতির নিয়মে সাধারণভাবে ঘটবে, যেগুলোর ব্যবস্থা আল্লাহ করে রেখেছেন; সব। আর তকদির কখনো পরিবর্তন হয় না।
Comments
Post a Comment