নবি ঈসা (আ.)-এর কিছু শিক্ষা আছে, যেগুলো বেশ সুন্দর এবং যেগুলো ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণ করতে আপত্তি থাকার কথা নয়। যেমন:
নবি ঈসা (আ.)-এর কিছু শিক্ষা আছে, যেগুলো বেশ সুন্দর এবং যেগুলো ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণ করতে আপত্তি থাকার কথা নয়। যেমন:
নবি ঈসা (আ.) বলেছেন, কেউ এক গালে চড় মারলে অন্য গালও পেতে দিও। কেউ একটি চাদর নিয়ে গেলে অন্যটিও দিয়ে দিও। যেমন ব্যবহার তুমি অন্যের কাছ থেকে পেতে চাও, অন্যের প্রতিও তেমন ব্যবহার কোরো। তুমি নিজেকে যেমন ভালোবাসো, তোমার প্রতিবেশীকেও তেমন ভালোবাসবে।
তবে বর্তমান বাইবেলে পাওয়া গেলেই কোনো বক্তব্যকে নিশ্চিতভাবে নবি ঈসা (আ.)-এর কথা বলা যায় না। কারণ মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মূল ইনজিল আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছিলো, কিন্তু বর্তমান বাইবেল সেই মূল ইনজিলের হুবহু সংরক্ষিত রূপ নয়।
এ প্রসঙ্গে জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে:
জাবির (রা.) বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) আহলে কিতাবদের কাছ থেকে পাওয়া একটি কিতাব নিয়ে নবী (সা.)-এর কাছে এলেন এবং সেটি নবী (সা.)-এর সামনে পড়লেন। এতে নবী (সা.) অসন্তুষ্ট হলেন এবং বললেন,
"হে খাত্তাবের পুত্র! তোমরা কি এ ব্যাপারে বিভ্রান্তিতে পড়েছো? সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, আমি তোমাদের কাছে একেবারে পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ দ্বীন নিয়ে এসেছি। তোমরা তাদের (আহলে কিতাবদের) কাছে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো না; কারণ তারা যদি তোমাদের সত্য কথা বলে, তোমরা সেটিকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে পারো; আর যদি মিথ্যা কথা বলে, তোমরা সেটিকে সত্য বলে গ্রহণ করতে পারো। সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, মূসা যদি জীবিত থাকতেন, তাহলেও তাঁর জন্য আমাকে অনুসরণ করা ছাড়া অন্য কোনো সুযোগ থাকতো না।"
— (মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং ১৫১৫৬)
তবে ১৫১৫৬ নম্বর বর্ণনার নির্দিষ্ট সনদকে শু'আইব আল-আরনাউত দুর্বল বলেছেন। অন্যদিকে, বক্তব্যটির অন্যান্য বর্ণনা ও সনদ বিবেচনা করে কিছু আলেম এটিকে হাসান বলেছেন।
Comments
Post a Comment